...
...
Next Story

গুরু পূর্ণিমার দিনেই শেষ হল পথ চলা, প্রয়াত পন্ডিত অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলা তথা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরু পূর্ণিমার দিনেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী। জীবনের ১০০টি বছর পার করে অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন তিনি।

Published on: Jul 29, 2026, 19:16:50 IST
Advertisement

বাংলা তথা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরু পূর্ণিমার দিনেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী। জীবনের ১০০টি বছর পার করে অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন তিনি। সঙ্গীত শিল্পী কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, সেখানেই গুরু পূর্ণিমার দিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

প্রয়াত পন্ডিত অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রয়াত পন্ডিত অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

২১ ফেব্রুয়ারি ১০০ বছরের জন্মদিন পালন করেছিলেন অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বিশেষ দিনে কলকাতার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনে টানা ৪০ মিনিট সংগীত পরিবেশন করেছিলেন তিনি। ১০০ বছর পার করেও একইভাবে নিজের নিত্যদিনের কাজ সারতেন তিনি।

আরও পড়ুন: ব্রহ্মানন্দ বেশে কালীঘাটে প্রত্যাবর্তন অরিন্দমের, নতুন প্রমো দেখে মুগ্ধ সকলে

তবে কিছুদিন আগেই বাড়িতে পড়ে যান তিনি, ভেঙে যায় হিপ বোন। আর সেখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। ধীরে ধীরে শরীর অসুস্থ হতে শুরু করে, বার্ধক্য জনিত কারণে ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে। তারপরেই সব শেষ।

আমিওরঞ্জনের পুত্র শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এই সময় অনলাইনকে জানিয়েছেন, হিপ বোন ভাঙার পর হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল অমিয়রঞ্জন। যদিও সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। বাড়িতেও এসেছিলেন। কিন্তু অতিরিক্ত বয়স হয়ে যাওয়ার কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে যায় সারা শরীরে। ফলে আবার ভর্তি করাতে হয় হাসপাতালে। শেষ কিছু সময় একেবারে ঘোরের মধ্যে ছিলেন তিনি। অবশেষে বুধবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ১৯২৭ সালে কলকাতার বুকে জন্ম অমিয়রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছোট থেকেই গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ বহু বছর সংগীতকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। বাবার দেখানো পথে হেটেছেন শান্তনুও।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe