...
...
Next Story

Parambrata Chatterjee: 'শুধু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে...', রুদ্রনীলের পাশে বিস্ফোরক মন্তব্য পরমের

Parambrata Chatterjee: গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে রাজনৈতিক পালাবদল। এতদিনের সমস্ত অভিমান জানিয়ে নতুন সরকারের কাছে শিল্পীদের একটাই অনুরোধ, আগামী দিনে যাতে প্রত্যেক শিল্পীরা কাজ করার সুযোগ পান। নতুন সরকার আসার পরেই টলিউডের যাবতীয় অশান্তি রোধ করার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন দায়িত্বে থাকা বিধায়করা।

Published on: May 20, 2026, 21:33:39 IST
Advertisement

Parambrata Chatterjee: গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে রাজনৈতিক পালাবদল। এতদিনের সমস্ত অভিমান জানিয়ে নতুন সরকারের কাছে শিল্পীদের একটাই অনুরোধ, আগামী দিনে যাতে প্রত্যেক শিল্পীরা কাজ করার সুযোগ পান। কাউকে যাতে ব্যান করে না দেওয়া হয়। নতুন সরকার আসার পরেই টলিউডের যাবতীয় অশান্তি রোধ করার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন দায়িত্বে থাকা বিধায়করা।

রুদ্রনীলের পাশে বিস্ফোরক মন্তব্য পরমের
রুদ্রনীলের পাশে বিস্ফোরক মন্তব্য পরমের

টলিউডের অন্দরের সমস্যা মেটানোর জন্যই বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ আজ অর্থাৎ ২০ মে টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় ডেকেছিলেন একটি বিশেষ বৈঠক, যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক, পরিচালক এবং টেকনিশিয়ানরা। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রুদ্রনীলের বহুদিনের বন্ধু তথা অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

রুদ্রনীলের পাশে বসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পরমব্রত জানান, রুদ্রনীলের সঙ্গে ২৫ বছরের বন্ধুত্বের অধিকারের জন্যই তিনি আজ বৈঠকে এসেছেন। ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে এতদিন ধরে চলা রাজনৈতিক অরাজকতা যাতে শেষ হয়ে যায়, সেই অনুরোধই করতে দেখা যায় পরমকে। ১৫ বছর আগে যেভাবে ইন্ডাস্ট্রির সকলে কাজ করতেন, আগামী দিনেও যাতে একইভাবে মানুষ কাজ করতে পারে, সকলে নিজেদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যাতে ভয় না পেয়ে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারেন, এমনটাই আশা রেখেছেন পরম।

আরও পড়ুন: সোহমকে প্রাণনাশের হুমকি দিলেন প্রযোজক, কী নিয়ে শুরু বাক-বিতণ্ডা?

এরপরেই পরমব্রত বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়েছিলাম আদালতে যেতে। তখন সকলকে বোঝানো হয়েছিল যে আমরা ফেডারেশন ভেঙে যেতে চাইছি কিন্তু আমরা নিজেরাই ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আদালতে যাওয়ার কারণে অলিখিতভাবে আমাকে ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল। তখন একটাও কাজ পাচ্ছিলাম না আমি।’

আরও পড়ুন: বিয়ের আগেই নিচ্ছেন বাবা সবার ট্রেনিং! অঙ্কুশের কোলে বসে থাকা খুদের পরিচয় কী?

পরমের বিস্ফোরক মন্তব্য, ‘সেই সময় আমার ছেলে হয়। শুধু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে আমি ক্ষমা চেয়েছি দাঁতে দাঁত চেপে। আমার আর কোনও উপায় ছিল না তখন। আমি কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ করতে আসিনি কিন্তু আমি চাই ভবিষ্যতে যেন এরকম পরিস্থিতি আর তৈরি না হয়।’

এই দিন বৈঠকে রুদ্রনীল বলেন, ‘আমাদের চারজনের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সকলের অসুবিধা শোনার জন্য। রাজনৈতিক পরিচয় সকলের আলাদা কিন্তু তা বলে কাউকে আলাদাভাবে দেখা হবে না এ ক্ষেত্রে। যে কোনও সমস্যা হোক না কেন আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে হবে।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe