Parambrata Chatterjee: ছেলেকে টেনে ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলার অভিযোগ, ট্রোলিং নিয়ে কড়া জবাব পরমব্রতর, নিশানায় ইন্ডাস্ট্রি!
সন্তানের প্রসঙ্গ তুলে সহানুভূতি চাওয়ায় খোঁচায় বিদ্ধ পরমব্রত। জবাবে নায়ক সরাসরি স্বীকার করেছেন যে তিনি সত্যিই ভিক্টিম ছিলেন।
পরিচালক এবং ফেডারেশনের দ্বন্দ্বের অন্যতম চর্চিত নাম হয়ে উঠেছিলেন অভিনেতা-পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata Chatterjee)। একসময় টলিপাড়ার ‘মাথা’ তথা ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস এবং ফেডারেশনের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করছিলেন তিনি। কিন্তু পরে অবস্থান বদল করেন পরমব্রত। ক্ষমা চেয়ে নেন।

পরবর্তীতে প্রাক্তন তৃণমূল সরকারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নজর এড়ায়নি কারুর। এমনকী সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা ভোটে ঘাসফুল শিবিরের হয়ে প্রচারও করেছেন। পরমব্রত ছেলের অন্নপ্রাশনে আর্শীবাদ দিতে ছুটে এসেছেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সরকার বদল হতেই ‘পালটি’ খান নায়ক। জানান, নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং কাজ না পাওয়ার জন্যই বাধ্য হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। পরমব্রতর এই কথা শুনে কম কটাক্ষে পড়তে হয়নি তাঁকে। নেটপাড়ার বড় অংশ দাবি করছে— তিনি আসলে ছেলের নাম নিয়ে ‘ভিক্টিম কার্ড’ খেলছেন। এবার সেই ট্রোল ও সমালোচনার মুখে দাঁড়িয়ে এক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চাঁছাছোলা ভাষায় তার জবাব দিলেন অভিনেতা।
‘ইন্ডাস্ট্রির অনেকে আগেই আপস করে নিজেদের রাস্তা পাকা করে নিয়েছিল’
সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলারদের পাশাপাশি পরমব্রতের ক্ষোভের তির কিন্তু টলিউড ইন্ডাস্ট্রিরই একাংশের দিকে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যখন তিনি কাজ না পেয়ে সংকটে ছিলেন, তখন তথাকথিত ‘সহযোদ্ধা’দের অনেকেই তলে তলে ক্ষমতাশালীদের সঙ্গে আপস করে নিজেদের কাজ গুছিয়ে নিয়েছেন। এই সময়কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘আমি ভিক্টিম ছিলাম তো! সেই কারণে কার্ড প্লে করেছি। আবারও বলছি, ভিক্টিম থাকার সময়ে একবারও কেউ ফোন করে জানতে চায়নি কেমন আছি, কীভাবে সংসার চালাচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা আছেন, তাঁরা অর্ধসত্যের ওপর ভিত্তি করে জাজমেন্টে পৌঁছান। তাঁদের থেকে আমার কোনও প্রত্যাশা নেই।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির অনেকে আগেই ভিডিও তৈরি করে, ক্ষমা চেয়ে, আপস করে, ফেডারেশন এবং স্বরূপ বিশ্বাস সম্পর্কে ভালো ভালো কথা বলে নিজেদের কাজ পাওয়ার রাস্তা পাকা করে ফেলেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ তো আমায় জিজ্ঞেস করেননি কীভাবে আমার চলছে বা কাজ না পেয়ে কেমন আছি। ফলে তাতে যদি ভিক্টিম কার্ড বলে মনে হয়, সত্যিই আমার নতুন কিছু বলার নেই।’
পরমব্রত আজ স্পষ্ট করে দিলেন, এই ইন্ডাস্ট্রিতে যখন কেউ কারও পাশে দাঁড়ায় না, তখন নিজের অধিকার ও অস্তিত্বের লড়াইয়ে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


