পরম-পত্নী পিয়া চক্রবর্তী, পেশায় একজন মনোবিদ। চলতি বছরেই পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন। জুন তাঁর ও পরমব্রত চট্টোপাধযায়ের কোল আলো করে এসেছে ছোট্ট নিষাদ। এখন খুদেকে ঘিরেই তাঁদের জগৎ আবর্তিত হচ্ছে। তবে এই সবের পাশাপাশি নিজের কাজও করছেন পিয়া। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি সমাজ মাধ্যমে তাঁর চিন্তার কথা ভাগ করে নিলেন। হঠাৎ কী নিয়ে চিন্তিত নতুন মা পিয়া?

আরও পড়ুন: ফেনায় শরীর ঢেকে বাথটাবে লাস্যময়ী শ্রাবন্তী! ‘বুড়ি হয়ে আর কত…’, খোঁচা নেটিজেনের
পিয়া প্রায়ই তাঁর খুঁটিনাটি নানা কথা তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে ভাগ করে নেন। তেমনই বুধবার পিয়া তাঁর একটি ছবি দিয়ে তাঁর চিন্তার বিষয় জানান। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী চিন্তা?
বেশ তবে একটু খোলসা করে বলা যাক। বুধবার পিয়ার স্টোরিতে দেখা যায় চোখে গোলাপি ফ্রেমের চশমা, গায়ে হুডিতে পিয়া। শীতের আমেজ মেখে পরম-পত্নী। আর ক্যাপশনে লেখা, 'এই বছরটাও শেষ। চিন্তার ব্যাপার।' সঙ্গে আজকের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ও লেখেন। আসলে অন্য কিছু নয়, বছর শেষ হয়ে নতুন বছর শুরু হচ্ছে তাই মজা করেই পিয়া এমন ক্যাপশন লেখেন।
প্রসঙ্গত, ১ জুন পুত্র সন্তানের বাবা-মা হয়েছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও পিয়া চক্রবর্তী। তারপর সব অপেক্ষার অবসান করে দেবীপক্ষে ছেলের ছবি সামনে আনেন পিয়া-পরম! সঙ্গে জানালেন ছেলের নামও।
কিছুদিন আগেই পিয়া তাঁর ছেলেকে নিয়ে ২০২৬-এ কী কী প্ল্যান রয়েছে তা ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘২০২৬-এর জন্য প্ল্যান: একটা ছোট্ট মানুষকে শেখাবো কীভাবে খেতে হয়, বসতে হয়, হামা দিতে হয়, জল খেতে হয়, কীভাবে প্রথম পা ফেলে হাঁটতে হয় আর সঙ্গে ওর প্রথম কথা বলা।’
উল্লেখ্য, আসলে আর পাঁচটা শিশুর মতো নিষাদও বেড়ে উঠছে। তাকেও এক এক করে সব শেখাতে হবে। পরিকল্পনাতে না থাকলেও স্বাভাবিক নিয়মে সে শিখবে, আর তাকে শেখানোর প্রয়োজনও পড়বে। তাই সে রকম বড় কিছু না হলেও জীবনের ভিত গড়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের সঙ্গে মা পিয়া ছেলেকে পরিচয় করাবেন। আর সে কথাতেই খানিক ভার চাপিয়ে তিনি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মা-বাবা হতে চলার খবর ভাগ করে নেন পরমব্রত ও পিয়া। তারপর জুনে কোন আলো করে আসে ছেলে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে দু'জনে করেছিলেন আইনি বিয়ে।