ওশের যখন ১০ বছর, তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে কাঞ্চন, সংসার শ্রীময়ীর সঙ্গে! বিয়ে-ভালোবাসা নিয়ে ছেলেকে কী পাঠ দিতে চান পিঙ্কি?
বাবা-মা কাঞ্চন ও পিঙ্কির সম্পর্কের ওঠানামার সাক্ষী থেকেছে ওশ। বর্তমানে তাঁর বয়স ১১। ভালোবাসা, বিয়ে নিয়ে ছেলেকে কী পাঠ দিতে চান পিঙ্কি?
কাঞ্চন মল্লিক ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিচ্ছেদ ছিল টলিউডের অন্যতম চর্চিত ডিভোর্স। বছরখানেক ধরে কাদা ছোড়াছুড়ি, আইনি জটিলতার শেষে আলাদা হন তাঁরা। এমনকী, ডিভোর্সে বেশ মোটা অঙ্কের খোরপোশও দিতে হয় কাঞ্চন মল্লিককে। ছেলে ওশের দেখভাল ও স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য ৫৬ লাখ টাকা দিতে হয় কাঞ্চনকে।

বাবা-মায়ের সম্পর্কের ওঠানামার সাক্ষী থেকেছে ওশ। বর্তমানে তাঁর বয়স ১১। পিঙ্কির অভিযোগ, ছেলের কোনোরকম খোঁজখবর নেন না কাঞ্চন। উলটোদিকে ছেলেও বাবাকে আর নিজের জীবনে জায়গা দিতে রাজি নয়। যদিও কাঞ্চনের নতুন সংসার নিয়ে ওশের মনে কোনো অভিযোগ নেই, এমনটাই জনিয়েছেন পিঙ্কি একাধিক সাক্ষাৎকারে।
আরও পড়ুন: ছোট পর্দার অন্যতম সফল জুটি, দেড় বছরে শেষ হল জি বাংলার মেগা! কাকে তাড়াল আমাদের দাদামণি?
নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক ভাঙনের মুখ দেখলেও, ভালোবাসায় বিশ্বাস রাখেন পিঙ্কি। এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে কথাও বলেন। তবে তাঁর দাবি, ‘বিয়েটা আল্টিমেট নয়’। বরং পিঙ্কি বিশ্বাস করেন যে, ‘লিভ ইন’-এর উপরেও রয়েছে তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা। কারণ তাঁর বিশ্বাস, এক ছাদের নীচে থেকে সম্পর্ক যাচাই করে সারাজীবন একজন মানুষের সঙ্গে কাটিয়ে দেওয়া সম্ভব। আসলে সম্পর্কের ভরসা হওয়া উচিত বিশ্বাস ও বোঝাপড়া। পিঙ্কির বিশ্বাস, বড় হয়ে এই বিশ্বাস নিয়ে এগোবে তাঁর ছেলে ওশ-ও।
সঙ্গে পিঙ্কিকে আরও বলতে শোনা যায় যে, তাঁর পরিবার থেকে কোনোদিন চাপ দেওয়া হয়নি বিয়ে করার। এমনকী, তিনিও বিশ্বাস করন যে, ছেলে হোক বা মেয়ে, সকলেরই লক্ষ হওয়া উচিত প্রথমে নিজেকে সাবলম্বী করে তোলা। আর্থিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয়ে, শুধুমাত্র সামাজিক চাপে পড়ে বিয়ের পক্ষপাতিত্ব নন তিনি। এমনকী, পিঙ্কি জানান যে এই শিক্ষা তিনি নিজের পরিবার থেকেই পেয়ে এসেছেন।
২০২১ সালে করোনা লকডাউন চলাকালীন প্রথম সামনে এসেছিল পিঙ্কি ও কাঞ্চনের দাম্পত্য ভাঙার খবর। সেই সময় স্বামী স্ত্রীর ঝামেলা গড়িয়েছিল থানা অবধি। হয়েছিল এফআইআর। সেই সময় পিঙ্কিই প্রথম সামনে এনেছিলেন যে, কাঞ্চন মল্লিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজের সঙ্গে। এরপর ছেবে ওশকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। কাঞ্চন ও পিঙ্কির ডিভোর্সের পর, ওশের কাস্টেডি গিয়েছে মায়ের কাছেই।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


