দাদার মতো জনপ্রিয়তা না পেলেও পল্লবী চট্টোপাধ্যায় নিঃসন্দেহে টলিউডের একজন অন্যতম গুণী অভিনেত্রী। দাদার থেকে তিন বছরের ছোট পল্লবী। মজার ব্যাপার হল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনের ঠিক এক মাস বাদেই পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। আদরের বোনকে তাই জন্মদিনে ভালোবাসায় ভরলেন বুম্বাদা।

পল্লবীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন। তোমার জন্য অফুরন্ত সুখ, সুস্বাস্থ্য এবং সুন্দর স্মৃতিতে ভরা একটি জীবন কামনা করছি। পৃথিবীর সমস্ত ভালবাসা এবং আনন্দ তোমার প্রাপ্য। অনেক অনেক ভালোবাসা।’ ছবিটি বেশ কিছু বছরের পুরনো কারণ দুজনকেই দেখলে বোঝা যায় যে তখন দুজনেরই বয়স অনেকটাই কম।
আরও পড়ুন: অতীতের অন্ধকার থেকে মাধুরীকে বাঁচাতে পারবে ভবতারণ? শেষ মুহূর্তে চমক আগমবাগিশের
পল্লবী প্রসঙ্গে
এখনো পর্যন্ত পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা অভিনয় ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের দোসর ছবিতে 'বৃন্দা' চরিত্র, যা তাঁকে ব্যাপক সমালোচক-প্রশংসা এনে দেয়। তাঁর অন্য কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে— অমর প্রেম, পুরুষোত্তম, যুগান্ত, এক মুঠো ছবি, আবর্ত, খাদ, গণেশ টকিজ, গেমপ্ল্যান, শাহজাহান রিজেন্সি, এবং শেষের গল্প। সিনেমার পাশাপাশি ইটিভি, স্টার প্লাস ও দূরদর্শনের মতো নামী চ্যানেলের একাধিক জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ও টেলিফিল্মেও দেখা গিয়েছে পল্লবীকে।
প্রসঙ্গত, মাত্র ১৩ বছর বয়সে নিজের মামাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিলেন পল্লবী। পরবর্তীকালে সেই বিয়ে ভেঙে যায়। পরপর দুটি বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর পল্লবী নতুন করে আর সম্পর্কে জড়াননি। এখন তিনি পুরোপুরি সিঙ্গল। বেশিরভাগ সময় তিনি মুম্বইতেই থাকেন। তবে খুব সম্প্রতি কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে তিনি কলকাতায় এসেছিলেন।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, মাত্র ১৩ বছর বয়সে নিজের মামাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিলেন পল্লবী। পরবর্তীকালে সেই বিয়ে ভেঙে যায়। পরপর দুটি বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর পল্লবী নতুন করে আর সম্পর্কে জড়াননি। এখন তিনি পুরোপুরি সিঙ্গল। বেশিরভাগ সময় তিনি মুম্বইতেই থাকেন। তবে খুব সম্প্রতি কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে তিনি কলকাতায় এসেছিলেন।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ফের একসঙ্গে পায়েল- ঋষভ, তন্ত্রসাধনার কোন গল্প বলবেন তাঁরা?
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় পল্লবীকে শাখা সিঁদুর পরে থাকতে দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন যার উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন যে শুধুমাত্র ভালোবাসেন বলেই তিনি শাখা সিঁদুর পরেন। বর যদি নাই বা থাকে, তবুও তিনি ভালবাসেন বলেই এই সাজে থাকবেন।