পদ্মশ্রী পাওয়ার পর আবেগে ভাসলেন স্ত্রী সরিতা! আর মাধবনকে নিয়ে গর্বে পরিবার
পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন অভিনেতা আর মাধবন। এই বিশেষ মুহূর্তে তাঁকে ঘিরে শুভেচ্ছার বন্যা বইলেও সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে স্ত্রী সরিতা মাধবনের আবেগঘন পোস্ট। পরিবার-সহ একাধিক ছবি শেয়ার করে স্বামীর সাফল্যে নিজের গর্ব ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন তিনি।
পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হওয়ার পর অভিনেতা আর মাধবনের জন্য শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। তবে অসংখ্য অভিনন্দন বার্তার ভিড়ে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে স্ত্রী সরিতা মাধবনের আবেগঘন পোস্ট। স্বামীর এই সাফল্য উদযাপন করতে পরিবার-সহ একাধিক ছবি শেয়ার করে গর্ব ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন তিনি।

স্ত্রী সরিতার পোস্টে উচ্ছ্বাস
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি পারিবারিক ছবি শেয়ার করেন সরিতা মাধবন। ছবিগুলিতে আর মাধবনের সঙ্গে দেখা যায় তাঁদের ছেলে বেদান্ত মাধবন এবং অভিনেতার মা সরোজা রঙ্গনাথনকে। ছবির ক্যাপশনে সরিতা লেখেন, ‘এই পদ্মশ্রী পুরস্কারের জন্য অভিনন্দন, আমার ভালোবাসা। তোমার আবেগ, কঠোর পরিশ্রম এবং শিল্পকলা অসংখ্য মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। আজ এবং সর্বদা তোমার জন্য আমি ভীষণ গর্বিত।’
তারকাদের শুভেচ্ছার বন্যা
সরিতার পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই মন্তব্যের ঘরে শুভেচ্ছার ঢল নামে। অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি লেখেন, ‘অত্যন্ত গর্বিত।’ অনুপম খের মন্তব্য করেন, ‘তুমিই সেরা।’ অভিনেতা রজত বেদি লেখেন, ‘ওয়াও, অভিনন্দন ম্যাডি।’ অন্যদিকে সুনীল গ্রোভার ও ভাগ্যশ্রী ভালোবাসার ইমোজির মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান। মাধবনের ছেলে বেদান্তও বাবার এই অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে লেখেন, ‘কী অসাধারণ এক সাফল্য... ভীষণ গর্বিত।’
পদ্মশ্রী পেয়ে কী বললেন মাধবন?
পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হওয়ার পর নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ কৃতজ্ঞতা বার্তা শেয়ার করেন মাধবন। তিনি জানান, দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পাওয়ায় তিনি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।
অভিনেতা ভারত সরকার ও মহারাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, এই স্বীকৃতি তিনি সারাজীবন লালন করবেন। পাশাপাশি তাঁর দর্শক, অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে বলেন, তাঁদের ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁর জীবনের প্রতিটি সাফল্যের পিছনে সবচেয়ে বড় শক্তি।
অনুরাগীদের কাছেও বিশেষ মুহূর্ত
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে একাধিক স্মরণীয় চরিত্র উপহার দেওয়া আর মাধবনের ঝুলিতে এবার যুক্ত হল পদ্মশ্রীর মতো সম্মানজনক স্বীকৃতি। আর সেই বিশেষ মুহূর্তে পরিবারের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সমর্থনের ছবি যেন আরও একবার মন ছুঁয়ে গেল তাঁর অনুরাগীদের।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


