Rachana Banerjee: তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে যারা প্রচারে গলা ফাটিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন রচনা, সেখান থেকেই শুরু তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা। এবারেও তৃণমূলের হয়ে প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল রচনাকে। কিন্তু তৃণমূল হারতেই উল্টো সুরে কথা বললেন রচনা।

টিভি৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার রচনা বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি শ্রদ্ধা করতাম, আজও করি ভবিষ্যতেও করব। উনি ডাকলে শিল্পীরা না বলতে পারতেন না। কিন্তু যেটা ভুল হয়ে গেল সেটা হল শিল্পীদের দাঁড় করালেই যে ভোটটা আসবে, এই চিন্তা ভাবনাটা ভুল হয়ে গেল। শিল্পীরা আসলেই ভোট বাক্সে ভোট পড়ে না, সেটা প্রমাণিত হয়ে গেল।’
আরও পড়ুন: ২৫ বছর পর মুক্তি পেল ইরফান-বিদ্যার ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’, কেন হল এত দেরি?
এছাড়াও ইন্ডাস্ট্রিতে যে রাজনৈতিক বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল, সে কথা বারবার বিভিন্ন শিল্পীর মুখে উঠে এসেছে। শুধুমাত্র তৃণমূলের হয়ে কথা বলেননি বলে একাধিক শিল্পীকে ব্যান পর্যন্ত করা হয়েছে ইন্ডাস্ট্রি থেকে। কিন্তু এমন দৃশ্য নাকি ১৫ বছর আগে ছিলই না, এমনই মত রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
তারকা সংসদের মন্তব্য, ১৫ বছর আগে কোন রাজনৈতিক দল এসে ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি চালাতে না। আমরা নিজেদের মতো কাজ করেছি। ফোরাম, ইম্পার প্রেসিডেন্ট কাজ করত। সব ফিল্ডের আলাদা আলাদা ফোরাম ছিল, তাদের হেড যিনি থাকতেন, তাঁর কথা অনুযায়ী কাজ করত সকলে। এত অশান্ত পরিবেশ আগে ছিল না। খুব শান্তিতে আমরা কাজ করছিলাম। কিন্তু বিগত কিছু বছরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেটা মেনে নিতে পারেনি অনেকেই।
{{/usCountry}}তারকা সংসদের মন্তব্য, ১৫ বছর আগে কোন রাজনৈতিক দল এসে ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি চালাতে না। আমরা নিজেদের মতো কাজ করেছি। ফোরাম, ইম্পার প্রেসিডেন্ট কাজ করত। সব ফিল্ডের আলাদা আলাদা ফোরাম ছিল, তাদের হেড যিনি থাকতেন, তাঁর কথা অনুযায়ী কাজ করত সকলে। এত অশান্ত পরিবেশ আগে ছিল না। খুব শান্তিতে আমরা কাজ করছিলাম। কিন্তু বিগত কিছু বছরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেটা মেনে নিতে পারেনি অনেকেই।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ‘শুধু মানুষ চিনছি…’, পিয়ার সঙ্গে ‘বন্ধু’ শতদীপের করা ব্যবহারে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বনি
সব থেকে বড় কথা, অনেকদিন ধরেই নাকি রচনার মনে হয়েছিল যে মানুষ আর তৃণমূলকেও সমর্থন করছেন না। প্রচারে শুধুমাত্র শিল্পীদের দেখতে, ফটোগ্রাফ নিতে এবং সেলফি তুলতেই যেতেন সকলে। তাই ভোটবাক্সে তার কোনও প্রতিফলন পাওয়া যায়নি। রচনার মুখে এই কথা শুনে অনেকেই মনে করছেন, সুযোগ বুঝে অন্যদের মতো রচনাও উল্টো সুরে কথা বলছেন।