Shyamoupti-Ranojoy Gaye Halud: রণজয়ের নামের হলুদ লাগল শ্যামৌপ্তির গায়ে! হলদে শাড়িতে বউ, সাদায় বর, জমে গেল বিয়ের সকাল
শ্যামৌপ্তির হলুদ শাড়ি, রণজয়ের সাদা পঞ্জাবি, সঙ্গে হলুদ ওড়না। পাশাপাশি বসেই গায়ে হলুদ হল গুড্ডি-তারকাদের। দেখুন-
১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই সাজো সাজো রব। আর এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও কিছু মানুষ অধীরে চোখ রেখে বসে আছেন। কারণ? আজই যে গাঁটছড়া বাঁধছেন অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু ও শ্য়ামৌপ্তি মুদলি। তাঁদের প্রেম থেকে বিয়ে সব নিয়েই চর্চার অন্ত নেই। অবশেষে এসেই গেল শুভ দিন।

হলুদের থিমেই সাজানো চারদিক। ফুল আর হলুদ কাপড় দিয়ে সাজানো। রণজয় গায়ে হলুদের সকালে পরেছিলেন সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা, আর গলায় হলুদ ওড়না। হলুদ শাড়ি শ্যামৌপ্তির গায়ে। বরের চোখে কালো সানগ্লাস। সোনার গয়না পরে দেখা গেল শ্য়াৌপ্তিকে। সঙ্গে হাতে শাঁখা-পলা।
আরও পড়ুন: প্রেমদিবসে দিলেন ছেলে-বরের আদুরে ছবি! পরমব্রত-পুত্র নিষাদ মায়ের মতো দেখতে? কী বলছেন পিয়া
গুড্ডি ধারাবাহিকে কাজ করার সময় বন্ধুত্ব। এরপর পর্দার প্রেম গড়ায় বাস্তবেও। একে-অপরের প্রেমে পড়েন শ্যামৌপ্তি ও রণজয়। আর আজ ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিনই গাঁটছড়া বাঁধছেন। একইদিনে বিয়ে আর রিসেপশনের আয়োজন করেছেন তাঁরা। এক সাক্ষাৎকারে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে রণজয় জানিয়েছেন, 'আমরা একদম হিন্দু ধর্মের নিয়ম-নীতি মেনে বিয়ে করব। আমরা গড়ে সব বাদ দিয়েছি। গুছিয়ে বললে, আমার দায়িত্ব ওর সম্মানকে মাথা তুলে রাখা। সনাতন ধর্মকে অসম্মান না করে সবটা হবে। আমাদের বিয়ে দেবেন কামাখ্য়ার পুরোহিত। বলতে পারো উনি আমার দাদা, শুধু রক্তের সম্পর্কটাই নেই। উনি প্রত্যেকটা মন্ত্র বুঝিয়ে বলেন। ৭টা ৪০-এ বিয়েতে বসব আমরা, ৯টায় বিয়ে শেষ। বিয়ে-রিসেপশন দুটো একইদিনে হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি ওইদিনেই।'
জানা গিয়েছে যে, বিয়ের আসর সেজে উঠবে একেবারে ৭০-৮০-র দশকের থিমে। হাতপাখা, পেঁচার মতো জিনিস ব্যবহার করা হবে মণ্ডপ সজ্জাতে। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া রাখতেও ভোলেননি। বিয়েতে আসা অতিথিদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে একটি সেলফি জোন। সেখানে নাকি পুরো কলকাতাকেই তুলে ধরা হবে। রাস্তার নিয়ন আলো, খড়খড়ি দেওয়া জানলা, পুরনো দিনের বেঞ্চ… অর্থাৎ সব মিলিয়ে রণজয় আর শ্যামৌপ্তির বিয়ের মণ্ডপ নিয়ে যাবে সেই ফেলে আসা দিনে।
বিয়ের রাতে একেবারে তথাকথিত সাজেই দেখা যাবে দুজনকে। লাল শাড়ি পরছেন শ্যামৌপ্তি। তবে বেনারসি নয়। আর ধুতি পঞ্জাবিতেই দেখা যাবে টলিপাড়ার এই হ্যান্ডসাম হাঙ্ককে। সঙ্গে খাওয়াদাওয়াতেও থাকছে নিখাদ বাঙালিয়ানা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


