Dev-Desu7: চোখমুখে বিধ্বস্ততা! দিল্লি থেকে ফিরে সোজা দেশু৭-এর সেটে দেব, মমতাকে ধোঁকা দেবেন?

Dev-Mamata Update: সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্ককে পাশে সরিয়ে দেব এয়ারপোর্ট থেকে সোজা ‘দেশু৭’ ছবির সেটে ডিরেক্টরের চেয়ারে বসেন। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের দলে নাম লেখানোর অভিযোগ, কী বার্তা ঘাটালের সাংসদের?

Published on: Jun 9, 2026, 08:47:47 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেব কি তবে সত্যিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়ছেন? লোকসভা ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই টলিপাড়া থেকে দিল্লির রাজনীতিতে এই প্রশ্ন ঘিরেই এখন তীব্র শোরগোল। সোমবার হঠাৎ করেই দেবের দিল্লি সফর এবং সেখানে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের শিবিরে তাঁর নাম লেখানোর জল্পনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। জল্পনা আরও বাড়ে যখন রবিবার সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েও এই বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি ঘাটালের সাংসদ।

চোখমুখে বিধ্বস্ততা! দিল্লি থেকে ফিরে সোজা দেশু৭-এর সেটে দেব, মমতাকে ধোঁকা দেবেন?
চোখমুখে বিধ্বস্ততা! দিল্লি থেকে ফিরে সোজা দেশু৭-এর সেটে দেব, মমতাকে ধোঁকা দেবেন?

রাজনীতি নিয়ে চলা এই চরম ধোঁয়াশার মাঝেই সম্পূর্ণ এক অন্য অবতারে ধরা দিলেন দেব। এয়ারপোর্ট থেকে সোজা কোনো রাজনৈতিক আলোচনা নয়, বরং তিনি পৌঁছে যান তাঁর আগামী ছবি ‘দেশু৭’ (Desu7)-এর শুটিং সেটে।

‘যেখানে আমার আসল জায়গা, সেখানেই ফিরলাম’— দেব

সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবের শেয়ার করা একটি সাদা-কালো ছবি এই মুহূর্তে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শুটিং সেটের মনিটরের সামনে মাইক্রোফোন হাতে বসে আছেন এক ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত দেব। ক্যাপশনে একটি লাল হার্ট ইমোজির সাথে অভিনেতা লিখেছেন: ‘Back to where I belong #Desu7 Directors life’ (অর্থাত্‍: ‘আমি যেখানে থাকার যোগ্য সেখানেই ফিরে এলাম.. পরিচালকের জীবন’)

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দেবের এই একটা লাইনই আসলে অনেক বড় বার্তা দিচ্ছে। একদিকে যখন তাঁর বিরুদ্ধে মমতার দলকে ‘ধোঁকা’ দেওয়ার অভিযোগ উঠছে, তখন দেব বুঝিয়ে দিলেন তাঁর প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা রাজনীতি নয়, বরং সিনেমার জগতই।

তবে কি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিচ্ছেন তারকা?

দিল্লিতে বিদ্রোহী সাংসদের শিবিরে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়ালেও দেবের ঘনিষ্ঠদের দাবি— দেব আসলে ক্রমশ এই রাজনীতির জটিল সমীকরণ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিতে চাইছেন। দীর্ঘদিনের সাংসদ পদের দায়িত্ব সামলানোর পর এবার তিনি পুরোদস্তুর পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবেই নিজের ‘হোম গ্রাউন্ড’-এ মনোনিবেশ করতে চান। ‘দেশু৭’-এর সেট থেকে পরিচালকের চেয়ারে বসা এই ছবি যেন সেই জল্পনাকেই আরও উস্কে দিল।

রবিবার রাতে দেশু৭-এর সেটে দেব
রবিবার রাতে দেশু৭-এর সেটে দেব

ঘাটালের তিনবারের জয়ী সাংসদ দেব। তারকা সাংসদ নিজে মুখ খোলেননি যে তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছন, ২০ জন সাংসদের স্বাক্ষর নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি জমা দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে যে তাঁরা বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএয়ের সঙ্গে চলতে যান। তবে কাদের কাদের স্বাক্ষর আছে সেই চিঠিতে, তা খোলসা করেননি কাকলি।

তৃণমূলের অন্দরে তাঁকে নিয়ে চলা ক্ষোভ বা দিল্লির বৈঠক নিয়ে মুখে কুলুপ আঁটলেও, দেবের এই নীরবতা এবং ক্যামেরার নেপথ্যে ফিরে যাওয়াটা টলিপাড়ার জন্য বড় কোনো চমকের ইঙ্গিত কি না, সেটাই এখন দেখার।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More