Ratna Debnath: অভয়ার মা ‘কাকিমা’ রত্না দেবনাথকে নিয়ে ভিডিয়ো করতেই এল ‘চটিচাটা-সেকু-মাকু’ কটাক্ষ, জবাব আরজে প্রিয়াঙ্কার

সম্প্রতি রত্না দেবনাথকে নিয়ে একটি ভিডিয়ো বানিয়েছিলেন আরজে প্রিয়াঙ্কা। তাতেই নেটপাড়ার কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। শুনতে হয় সেকু, মাকু, দালাল, চটিচাটা-র মতো কটাক্ষ। এরপর নিজের বক্তব্যের সমর্থনে এরপর একটি লম্বা পোস্ট করেন প্রিয়াঙ্কা।

Published on: Jul 19, 2026, 15:57:32 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ভিক্তিম অভয়া-র মা রত্না দেবনাথ। বিশেষ করে বিজেপি-র টিকিটে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে জেতার পর, একাংশের কটাক্ষের মুখে তিনি। সঙ্গে রাজনীতির দুঁদে খেলোয়াড় না হওয়ায় একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেছেন। সম্প্রতি রত্না দেবনাথকে নিয়ে একটি ভিডিয়ো বানিয়েছিলেন আরজে প্রিয়াঙ্কা। তাতেই নেটপাড়ার কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে এরপর একটি লম্বা পোস্ট করেন প্রিয়াঙ্কা।

রত্না দেবনাথকে নিয়ে কটাক্ষ ভিডিয়ো করায় শুনতে হয় সেকু-মাকু-চটিচাটা, কড়া জবাব প্রিয়াঙ্কার।
রত্না দেবনাথকে নিয়ে কটাক্ষ ভিডিয়ো করায় শুনতে হয় সেকু-মাকু-চটিচাটা, কড়া জবাব প্রিয়াঙ্কার।

তিনি বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং নিজের মত প্রকাশ করার সম্পূর্ণ অধিকার তাঁর আছে। ভিডিয়োতে রত্না দেবনাথের জন্য তাঁর ভাষা খারাপ ছিল বলে তিনি স্বীকার করেন ও তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে দেন যে, তাঁর বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য এখনও একই রয়েছে।

সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ, বিভিন্ন নারী নির্যাতনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির প্রতিক্রিয়া ও ভূমিকা নিয়ে তাঁর প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে বেহালা ও বারুইপুরের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবারের পাশে যথাযথভাবে দাঁড়ানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

প্রিয়াঙ্কা লেখেন, ‘বেহালা ঘটনার সময় উনি বলেছিলেন, 'বাচ্চা না কাঁদলে মা দুধ দেয় না'। ওঁর পক্ষে জানা সম্ভব না কোথায় কী হচ্ছে। মা-বাবা এসে জানালে উনি রাস্তায় নামবেন। এখানে আমার প্রশ্ন, যাদের সঙ্গে ঘটনাটা ঘটে, তাদের মানসিক অবস্থা তখন কেমন থাকে, সেটা উনার খুব ভালো করে জানা উচিত নয়? কারণ উনি তো একই রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন।বারুইপুরের ঘটনায় বললেন, 'মেয়েটা কোথায় ছিল জানি না, বাড়িতে না বাইরে।' মেয়েটা কি উনার মেয়ের মতো নয়? মেয়েটার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ওঁর দরকার মনে হয়নি? শুধু যাব বলে বলেছেন, গিয়েছেন কি? কত দিন হয়ে গেল? একবারও যাওয়া প্রয়োজন মনে করেননি? এখন ওঁ এমএলএ, তাই ওঁকে নিয়ে সবার অনেক আশা যে এবার হয়তো মেয়েরা অন্তত নিরাপদ থাকবে। উনি এমএলএ না হলে, কাউরই ওঁকে নিয়ে এত প্রত্যাশা থাকত না।’

‘আমরা সবাই কাকিমার পাশে ছিলাম!! কাকিমা কি আমাদের পাশে আদৌ আছেন? সেটাই আমার বলার উদ্দেশ্য ছিল। বিচার এত সহজে পাওয়া যায় না, আমিও জানি! কিন্তু আমি শুধু পাশে থাকার কথাই বলেছি। এবং যারা বলছেন, উনি রাজনৈতিক কিছু বোঝেন না, গুছিয়ে কথা বলতে পারেন না—'ঠিকানা পাল্টে দেব' ওইসব তো ভালোই বলেন শুনি। তাহলে কাজের কথা বলতে এত গুলিয়ে যায় কেন? আর যারা কিছু বললেই দালাল, চটি চাটা, সেকু, মাকু করো—তোমরা ওই করো। আর কিছু হবে না তোমাদের!!’, আরও লেখেন প্রিয়াঙ্কা নিজের পোস্টে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More