মাকে নিয়ে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’-এ দীঘায় জগন্নাথ দর্শনে রুক্মিণী! নিজে হাতে করলেন আরতি
আগামী ২৮ নভেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে রুক্মিণী মৈত্র এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর ছবি ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। আর এবার ছবি মুক্তির একদিন আগে মাকে নিয়ে দীঘায় জগন্নাথ দর্শনে গেলেন নায়িকা।
আগামী ২৮ নভেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে রুক্মিণী মৈত্র এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর ছবি ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। বাবা মেয়ের এক অন্যরকম গল্প ফুটে উঠবে এই ছবিতে। অর্ণব মিদ্যা পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তির আগেই জায়গা করে নিয়েছে চলতি বছরের ইন্টারন্যশনাল ফ্লিম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়াতে। আর এবার ছবি মুক্তির একদিন আগে মাকে নিয়ে দীঘায় জগন্নাথ দর্শনে গেলেন নায়িকা।

আরও পড়ুন: দক্ষিনী ছবি নিয়ে বিস্ফোরক সুনীল শেট্টি! 'নেতিবাচক চরিত্রে…', যা বললেন নায়ক
দেখা যায় সোনালি ও রূপালি জড়ির কাজ করা শাড়ি, এক হাতে বালা, মুক্তোর দুল আর ছোট্ট টিপে সেজে উঠেছিলেন নায়িকা ভারী মিষ্টি দেখাচ্ছিল তাঁকে। সঙ্গে নায়িকার মায়ের পরনে ছিল চওড়া সোনালি পাড়ের হলুদ শাড়ি। গলায় ঝোলা হার পরেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, পরিচালকের পরনে ছিল লাল সুতোর কাজ করা সাদা পাঞ্জাবি ও সাদা পাজামা। চোখে রোদ চশমা পরেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: মারণ রোগে আক্রান্ত, অর্থ কষ্টে ভুগছেন, সাহায্যের জন্য হাত পাতলেন শ্রাবণীর ছেলে
দেখা যায় নায়িকা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। নিজে হাতে আরতির ডালি নিয়ে ভগবানের আরতি করেন। তাঁর গলায় গোড়ের মালাও পরিয়ে দেওয়া হয়। নায়িকা পুজো শেষে নতজানু হয়ে প্রণাম জানান প্রভু জগন্নাথকে। পাশাপাশি কীর্তনেও যোগ দেন।
আরও পড়ুন: এক কাঁধে ব্যাগ, আরেক হাতে মেকআপ কিট! পরীক্ষা দিয়ে সোজা শ্যুটিংয়ে কুসুম, কোন স্কুলের ছাত্রী তনিষ্কা?
এই সিনেমায় রুক্মিণী এবং চিরঞ্জিত ছাড়াও অভিনয় করেছেন অঞ্জনা বসু, তিনি চিরঞ্জিতের বান্ধবীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। তাছাড়াও রয়েছেন তুলিকা বসু। তিনি অভিনয় করেছেন রুক্মিণীর আত্মীয়ের ভূমিকায়। এছাড়াও রয়েছেন সন্দীপ ভট্টাচার্য, বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঈশিকা দে প্রণয় দাশগুপ্ত, প্রিয়াঙ্কা পোদ্দার, অমিত কুমার দত্ত, দিব্যজ্যোতি রক্ষিত, মৌসুমী ছেত্রী, সুমিত সাহা, সৌরভ সমাদ্দারও।
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ছবির ট্রেলার সেখানে দেখানো হয়েছে, একটা বয়সের পর বাবা যখন নিজের সঙ্গী খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করবে, সেটাই মেয়ের সবথেকে বড় আপত্তির জায়গা হবে। মায়ের জায়গা অন্য কোনও নারীকে ভাবতেই পারবে না সে। শুরু হয়ে যাবে বাবা মেয়ের মধ্যে মতান্তর। দুই প্রজন্মের দুই মানুষের দুই চিন্তা কি কখনও এক হবে? একে অপরকে বুঝতে পারবে তারা? জানা যাবে ছবি মুক্তি পেলে।
E-Paper

