এ যেন রূপঙ্কর বাগচি মুখ খুললেই বিতর্ক। গায়কের একটি ভিডিয়ো ক্লিপিংস হু হু করে ছড়াচ্ছে নেটপাড়ায়। যেখানে তাঁকে এসআইআর নিয়ে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। আর সেখানে নিজেকে ‘বাঙাল’-এর পরিবর্তে, ‘বাংলাদেশী’ বলে বসেন গায়ক। ব্যস, রে রে করে তেড়ে এল নেটিজেনরা আরও একবার।

রূপঙ্করকে সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘এসআইআর ইজ আ টাফ থিং। আমি নিজে বাংলাদেশী। মানে আমি নিজে বাংলাদেশী নই, আমার বাবা-বাবার বাবা তাঁরা বাংলাদেশের সিলেটে থাকতেন। শ্রীহট্টের মানুষ। আমার মূল হচ্ছে বাংলাদেশ। সুতরাং আমার বাবার বাবা চলে এসেছিলেন শিলচর হয়ে। আসাম হয়ে তারপর কলকাতায় এসেছিলেন।’
আরও পড়ুন: মেজাজ হারিয়ে কখনো ইউভান-ইয়ালিনিকে পিটুনি দেন শুভশ্রী? ‘একজন মানুষ হিসেবে আরেকজন…’, জবাব রাজ-পত্নীর
এরপরই দেখা গেল নেটপাড়ায় আক্রমণের বন্যা। কেউ কেউ আবার বেশ খিল্লিও করছেন তাঁকে নিয়ে। একজন লেখেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম এই লোকটা কিছুতেই আমাদের দেশের হতে পারে না। ওর কাণ্ডকারখানা ওই গাধাগুলোর মতোই। এটাকে সবার আগে বর্ডার পার করনো হোক’। আরেকজন আবার লিখলেন, ‘ওরে ওটাকে বাঙাল বলে, বাংলাদেশী নয়।’ আরেকটি মন্তব্য পড়েছে, ‘বাঙাল আর বাংলাদেশী এক নয়, যেমন আম আর আমলকি এক নয়।’
আরও পড়ুন: এক্কেবারে পাকা বুড়ি, কিউটের ডিব্বা! ‘লাজু’ সাইনার ছোটবেলার এই ভিডিয়ো ভাইরাল
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: এক্কেবারে পাকা বুড়ি, কিউটের ডিব্বা! ‘লাজু’ সাইনার ছোটবেলার এই ভিডিয়ো ভাইরাল
{{/usCountry}}অন্য আরেকজন আবার মন্তব্য করলেন, ‘তখন অবিভক্ত ভারতবর্ষ ছিল। আপনার বাবার বাবার সময় দেশ স্বাধীন হয়নি।’ অন্য আরেকটি মন্তব্যে লেখা, ‘মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যদি কেউ ভাট বকায় টক্কর দিতে পারে, তাহলে এই লোকটা।’ আরেকজন লেখেন, ‘আপনার যদি নিজেকে বাংলাদেশী মনে হয়, তাহলে বাংলাদেশে চলে যান।’
আরও পড়ুন: ‘যা বানায় তা-ই…’! বিয়ের পর গুছিয়ে সংসার, সোহিনী কি আদৌ রান্নাবান্না করতে পারে, জবাব শোভনের
রূপঙ্কর বাগচি প্রসঙ্গে:
রূপঙ্কর বাগচি একজন ভারতীয় বাঙালি গায়ক, সুরকার এবং গীতিকার, যিনি ‘জাতিস্মর’ সিনেমায় ‘এ তুমি কেমন তুমি’ গেয়ে জাতীয় পুরস্কার পান। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণেও আলোচনায় এসেছেন। বিশেষ করে গায়ক কেকে-র কলকাতা কনসার্ট নিয়ে যে উন্মাদনা তাতে বিরক্ত হয়ে লাইভে এসে বলেছিলেন, ‘হু ইজ কেকে ম্যান’। আর জনতার রাগ গিয়ে রূপঙ্করের উপর পড়ে যখন সেই কনসার্টের শেষেই দুর্ভাগ্যবশত কেকে মারা যান। এমনকী, বহুকাজ হাতছাড়া হয় রূপঙ্করের, যার মধ্যে ছিল বহুল জনপ্রিয় ‘মিও আমোরে’র টাইটেল ট্র্যাকটি।