Salman Khan: ‘আরও জোরে সরি বলো’, পাপারাৎজিরা ক্ষমা চাইতেই মন গলল সলমনের, রইল মিটমাটের ভিডিয়ো
রাজা শিবাজির সাকসেস পার্টিতে রিতেশ দেশমুখের সঙ্গে পোজ দিতে বেরিয়ে আসেন সলমন। তাঁকে দেখে ২৪ ঘণ্টা আগের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে শুরু করে চিত্রসাংবাদিকরা। মন গলতে বেশি সময় লাগেনি ‘দিলদার' ভাইজানের।
মঙ্গলবার রাতে সলমন খান তেলেবেগুণে জ্বলে উঠেছিলেন চিত্র সাংবাদিকদের উপর। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পাপারাৎজিদের, বুধবার রাতে মন গলল ভাইজানের। রীতেশ দেশমুখের নতুন ছবি ‘রাজা শিবাজী’ (যেখানে সলমন একটি বিশেষ ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন)-র সাকসেস পার্টিতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সলমন গাড়ি থেকে নামতেই সেখানে উপস্থিত সমস্ত চিত্রসাংবাদিক একস্বরে তাঁর কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে শুরু করেন। পাপারাৎজিদের কাকুতি-মিনতি দেখে প্রথমে একটু থমকালেও, পরক্ষণেই নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে এক চিত্রসাংবাদিককে কাছে ডেকে নেন সলমন। তাঁদের ‘সরি’ শুনে মুচকি হেসে ইশারায় বুঝিয়ে দেন— ‘সব ঠিক হ্যায়’।

মজার ছলে খুনসুটি ও ‘চপ্পল’ খোঁচা:
বুধবারের র একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চিত্রসাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছেন, ‘আজ কেউ চেঁচামেচি করবি না রে, লাভ ইউ ভাই।’ শুনে সলমন রসিকতা করে বলেন, ‘হ্যাঁ, এই জায়গাটা চিৎকার করার জন্য একদম সঠিক।’ এরপর পাপারাৎজিরা যখন মঙ্গলবার রাতের আচরণের জন্য ক্ষমা চান, তখন সলমন মজা করে বলেন, ‘জোরে বলো, তোমাদের কারও আওয়াজ আমি ঠিকঠাক শুনতে পাচ্ছি না!’ যা শুনে পাশে থাকা রীতেশ দেশমুখও হেসে ফেলেন। এখানেই শেষ নয়, সলমন পাপারাৎজিদের খোঁচা দিয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘মঙ্গলবার রাতে তোমরা যে চপ্পল হাতে ওভাবে দৌড়াদৌড়ি করছিলে, সেই ক্লিপটা কেন শেয়ার করোনি?’ অভিনেতার এই প্রশ্নে পাপারাৎজিরাও নিজেদের ভুল স্বীকার করে নেন।
ঠিক কী ঘটেছিল মঙ্গলবার রাতে?
মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে সলমন খানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজনের স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি ছিলেন। সলমন যখন উদ্বিগ্ন মুখে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান, তখন একদল পাপারাৎজি তাঁর পিছু নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই চিৎকার শুরু করে দেয়। শুধু তাই নয়, সলমনের আসন্ন ছবি ‘মাতৃভূমি’-র নাম ধরেও স্লোগান দিতে থাকে তারা।
তাতেই মেজাজ হারান ভাইজান। কপালে হাত দিয়ে রেগে গিয়ে বলেন, ‘পাগল হয়ে গেছ তোমরা? তোমাদের পরিবারের কেউ হাসপাতালে থাকলে কি আমি এমন করব?’
ইনস্টাগ্রামে ৬০ বছরের ‘টাইগার’-এর গর্জন:
হাসপাতাল থেকে ফিরেই ইনস্টাগ্রামে ক্ষোভ উগরে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন সলমন। তিনি লেখেন— ‘যদি আমি কোনও প্রেসকে হাসপাতালে আমার কষ্ট দেখে আনন্দ পেতে দেখি... যে প্রেসের পাশে আমি সবসময় দাঁড়িয়েছি, যাদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করেছি... তারা যদি আমার ক্ষতি থেকে টাকা কামাতে চায়, তবে চুপ থাকো! ভাই ভাই ভাই মাতৃভূমি ছবির মা-র চোখ... ছবির গুরুত্ব বেশি নাকি মানুষের জীবনের?’
হুমকির সুরে সলমন আরও লেখেন, ‘আমার ভাইয়ের কষ্টের দিনে আরেকবার আমার সাথে এই স্টান্ট করার চেষ্টা করো... জাস্ট একবার চেষ্টা করে দেখো। আমি ৬০ বছরে পা দিয়েছি, কিন্তু লড়তে ভুলে যাইনি এটা মনে রেখো। বেশি হলে জেলে পুরবে, হা হা হা!’
কাজের ময়দানে ভাইজান:
চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের সাথে সলমন খানকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে ‘মাতৃভূমি’ (Maatrubhumi) ছবিতে। তবে এই বিতর্কের মাঝেই বুধবার রাতে যেভাবে সলমন ও পাপারাৎজিদের মধ্যে ‘মিটমাট’ হয়ে গেল, তা দেখে অনুরাগীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। ভক্তদের মতে, রেগে গেলেও ভাইজান আসলে ‘দিলদার’ মানুষ!
হুমকির সুরে সলমন আরও লেখেন, “আমার ভাইয়ের কষ্টের দিনে আরেকবার আমার সাথে এই স্টান্ট করার চেষ্টা করো... জাস্ট একবার চেষ্টা করে দেখো। আমি ৬০ বছরে পা দিয়েছি, কিন্তু লড়তে ভুলে যাইনি এটা মনে রেখো। বেশি হলে জেলে পুরবে, হা হা হা!”
কাজের ময়দানে ভাইজান:
চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের সাথে সলমন খানকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে ‘মাতৃভূমি’ (Maatrubhumi) ছবিতে। তবে এই বিতর্কের মাঝেই বুধবার রাতে যেভাবে সলমন ও পাপারাৎজিদের মধ্যে ‘মিটমাট’ হয়ে গেল, তা দেখে অনুরাগীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। ভক্তদের মতে, রেগে গেলেও ভাইজান আসলে ‘দিলদার’ মানুষ!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


