‘একদিকে জীবনের ঝুঁকি, শারীরিকভাবেও নানা সমস্যা…’! প্রকাণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে সিকন্দরের শ্যুটিং করেন সলমন খান

‘সিকন্দর’-এর শুটিং চলাকালীন একাধিক ব্যক্তিগত ও শারীরিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে সলমন খানকে। ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডের ধাক্কা, লাগাতার প্রাণনাশের হুমকি এবং পাঁজরের চোট নিয়েও তিনি কীভাবে ছবির কাজ শেষ করেছিলেন, তা এবার প্রকাশ করলেন তাঁর সহ-অভিনেতা বিশাল বশিষ্ঠ।

Published on: Jun 19, 2026, 11:30:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৪ সালে নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা বাবা সিদ্দিকিকে হারিয়েছিলেন সলমন খান। গুলি করে খুন করা হয়েছিল বাবা সিদ্দিকিকে, যা গোটা দেশকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। সেই সময় সলমন খানও একাধিক প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছিলেন, ফলে তাঁকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই থাকতে হচ্ছিল।

সলমন খান। (IMDb)
সলমন খান। (IMDb)

এরই মধ্যে চলছিল তাঁর বহুল আলোচিত ছবি সিকন্দরের শুটিং। শুধু মানসিক চাপই নয়, পাঁজরের চোটের সমস্যাও ছিল অভিনেতার। সম্প্রতি দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সহ-অভিনেতা বিশাল বশিষ্ঠ সেই কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেছেন।

বিশাল বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে সিকন্দর-এর শুটিং করছিলাম, বিশেষ করে সলমন স্যার। এটা কোনও গোপন বিষয় নয়। সেই সময় তিনি মানসিকভাবে ভীষণ চাপে ছিলেন। শারীরিকভাবেও নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা নিজের চোখে দেখেছি—এটা কোনও বানানো গল্প নয়, একেবারে সত্যি।’

তিনি আরও জানান, ‘সলমন স্যার ধীরে ধীরে হেঁটে কোনওভাবে দৃশ্যের শুটিং শেষ করতেন। পরিচালক 'কাট' বলার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ফিরে গিয়ে ফিজিওথেরাপি নিতেন। তাঁকে চলাফেরা চালিয়ে যেতে হত, কারণ সামনে অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং ছিল।’

ভাইজানের কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করে বিশাল বলেন, ‘আমি কল্পনাও করতে পারি না, পর্দার আড়ালে তাঁর জীবনে কী চলছিল। তবুও তিনি শুটিং বন্ধ করেননি। এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার পরও তিনি নিজের কাজের প্রতি একইরকম নিবেদিত ছিলেন। তিনি ব্যথার মধ্যে ছিলেন, তবুও কাজ করে গিয়েছেন। বাইরে প্রাণনাশের আশঙ্কা ছিল, তবুও সেটে আসতেন। সত্যিই এটা খুব কঠিন ছিল।’

উল্লেখ্য, বিশালের এই মন্তব্য এমন এক সময় সামনে এল, যখন ছবির পরিচালক এআর মুরগাদোস দাবি করেছিলেন যে ‘সিকন্দর’-এর শুটিং যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাঁর মতে, সলমন খান প্রায়ই সেটে দেরিতে পৌঁছতেন, যার ফলে পুরো ইউনিটকে শিডিউল বদলাতে হত এবং অনেক সময় দিনের শুটিং রাতের বেলায় করতে হয়েছে। তবে বিশালের বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই সময় অভিনেতার শারীরিক ও মানসিক সংগ্রামের অন্য একটি দিক।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More