কঠিন সময়ে ছিলেন পাশে, বলেছিলেন থেরাপির কথা, রাহুলকে হারিয়ে বিধ্বস্ত সারা
কিছু কিছু মৃত্যু সহজে মেনে নেওয়া যায় না, যেমন মেনে নেওয়া যাচ্ছে না রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যু। এই মুহূর্তে গোটা টলিউড একজোট হয়ে রাহুলের মৃত্যুর আসল কারণ খুঁজতে ব্যস্ত।
কিছু কিছু মৃত্যু সহজে মেনে নেওয়া যায় না, যেমন মেনে নেওয়া যাচ্ছে না রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যু। এই মুহূর্তে গোটা টলিউড একজোট হয়ে রাহুলের মৃত্যুর আসল কারণ খুঁজতে ব্যস্ত। শোক সামলে সবাই যেন একটি বৃহত্তর যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছেন। এসবের মধ্যেই রাহুলকে নিয়ে কিছু অজানা কথা শেয়ার করলেন নীলাঞ্জনা এবং যীশু সেনগুপ্তের বড় কন্যা সারা সেনগুপ্ত।

তথাগত থেকে শুরু করে শ্রীজাত, কেউ কেউ যেমন অভিনেতাকে নিয়ে লিখেছেন কবিতা, আবার অপর্ণা সেন এবং স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন ‘সহজ কথা’ পডকাস্টে আসার অপূর্ণ ইচ্ছার কথা। কিন্তু সারা রাহুলকে নিয়ে যা লিখেছেন, তাতে বেশ বোঝা যায় রাহুলের মৃত্যু তার কাছে শুধুমাত্র একজন পরিচিতর মৃত্যু নয়, রাহুলকে হারানো সারার কাছে এক ব্যক্তিগত ক্ষতির মতোই হয়ে থাকবে চিরকাল।
আরও পড়ুন: 'একটাই আফসোস আমার...', মাঝপথে কেন পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন শ্রুতি?
ইনস্টাগ্রামে রাহুলকে নিয়ে সারা লিখেছেন, ‘আমি কী লিখতে পারি বা কী লেখা উচিত এই নিয়ে অনেক ভেবেছি কিন্তু কিছুই ঠিক মনে হয়নি। এত তাড়াতাড়ি আর হঠাৎ যে সবকিছু হয়ে গেল, যে কিছু লিখে ওঠার সময়টুকু পাইনি। কিছুদিন আগেই মায়ের জন্মদিনে আমরা অনেক অনেক আনন্দ করেছি একসঙ্গে।’
সারা লেখেন, ‘আমার কাছে সত্যিই কোনও শব্দ নেই তোমার দয়ালু মন এবং সহানুভূতিশীলতাকে ভাষায় প্রকাশ করার মতো। অনেক ভালো সময় কাটিয়েছি আমারা। এরপরেই পুরনো একটি স্মৃতি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন যিশু কন্যা।’
সারা লেখেন, ‘কয়েক বছর আগের কথা, কিছু সময় আগেই তুমি আমায় বলেছিলে যে মনের খেয়াল রাখা সব থেকে বেশি জরুরী। অনেকে হয়তো বিষয়টিকে অন্যভাবে নিয়েছিল কিন্তু তুমি আমায় বলেছিলে যে সব বয়সের মানুষ থেরাপিতে যেতে পারে। এটা খারাপ কিছু নয়। ভালো জিনিস।’
নীলাঞ্জনা কন্যা লেখেন, ‘কিছু মানুষ এই কথায় হয়তো তখন একমত ছিলেন না, কারণ অনেকেই এটাকে পুরনো ধারনা বলেই বিশ্বাস করতো। আসলে আমরা এমন একটা সময়ে বড় হয়েছি যখন এই থেরাপিকে মানুষ সঠিকভাবে গ্রহণ করত না।’
আরও পড়ুন: শুরু হয়ে গেল সৌরভের বায়োপিকের শ্যুটিং, সিনেমার নাম ঘোষণা করলেন রাজকুমার
সবশেষে সারা লেখেন, ‘শান্তিতে বিশ্রাম নিও। আশা করি তুমি কোথাও খুব শান্তিতে আছো আর ওপারে পরীদের সঙ্গে কথা বলছো তোমার পডকাস্টে। নীলাঞ্জনা কন্যার এই কথা ভীষণভাবে প্রমাণ করে রাহুল নিজের পরিচিত বা ভালোবাসার মানুষদের জন্য কতটা চিন্তিত থাকতেন, কতটা খেয়াল রাখতেন। শুধুমাত্র একজন দুর্দান্ত অভিনেতা হিসেবে নয়, সারা জীবন তিনি সকলের মনে থেকে যাবেন খুব ভালো একজন মানুষ হয়ে।’
E-Paper











