Satadeep Saha: ছবি মুক্তির জন্য স্বরূপ-পিয়ারা নিয়েছিলেন ১৩ লক্ষ টাকা, বিস্ফোরক মন্তব্য শতদীপের

Satadeep Saha: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ছাত্র জয়ব্রত দাস পরিচালিত দ্যা অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস ছবিটি তৈরি হয়েছিল ২০২৫ সালে। ২০২১ সাল থেকে যে ছবিটি ধীরে ধীরে তৈরি করেছিলেন ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীরা, সেই ছবিটি মুক্তির আগে পড়েছিল একাধিক সমস্যার মুখে।

Published on: Jun 6, 2026, 16:55:27 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Satadeep Saha: সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ছাত্র জয়ব্রত দাস পরিচালিত ‘দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’ ছবিটি তৈরি হয়েছিল ২০২৫ সালে। ২০২১ সাল থেকে যে ছবিটি ধীরে ধীরে তৈরি করেছিলেন ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীরা, সেই ছবিটি মুক্তির আগে পড়েছিল একাধিক সমস্যার মুখে।

ছবি মুক্তির জন্য স্বরূপ-পিয়ারা নিয়েছিলেন ১৩ লক্ষ টাকা
ছবি মুক্তির জন্য স্বরূপ-পিয়ারা নিয়েছিলেন ১৩ লক্ষ টাকা

অবশেষে ফেডারেশনের সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি সিনেমা হলে মুক্তিপাই ছবিটি। কিন্তু তার মধ্যেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল সেটি। যদিও রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ছবিটি নন্দনে জায়গা করে নেয়, খুব সম্প্রতি ডিজিটাল প্লাটফর্মে মুক্তি পায় এই সিনেমাটি।

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক চাপে বাংলা ছেড়েছিলেন ‘মেমবউ’ বিনীতা, পালাবদলের পর কী সিদ্ধান্ত নিলেন?

কিন্তু এই সিনেমাটি মুক্তির জন্য যে বিশাল পরিমাণ অংকের অর্থ দিতে হয়েছিল পরিচালককে, সে কথা এতদিন কেউ জানতেন না। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর এই বিষয়ে মুখ খুললেন পরিবেশক শতদীপ সাহা। শুধু ফেডারেশন নয়, ইম্পার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন শতদীপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন তিনি।

শতদীপ সাহার বিস্ফোরক মন্তব্য অনুযায়ী, ১৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই সিনেমাটি মুক্তির আলো দেখেছিল। টাকা না দিলে ছবিটি কোনওভাবেই বড় পর্দায় মুক্তি পাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস এবং পিয়া চক্রবর্তী। অবশেষে ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে সেই কথা মেনে নেওয়া হয়, মোটা অংকের টাকার বিনিময়তেই অবশেষে মুক্তি পেয়েছিল ‘দ্য অ্যাকাডেমি ফাইনস আর্টস’।

ইম্পার এক দালালের নাম উল্লেখ করে শতদীপ সাহা লেখেন, ‘উনি বলেছিলেন পিয়া সেনগুপ্তর কাছে টাকা নিয়ে গেলে তিনি ছবি মুক্তির ব্যবস্থা করে দেবেন। এটা যে মিথ্যে কথা নয় তার সমস্ত প্রমাণ আমার কাছে আছে। প্রয়োজনে আমি দেখাতে পারি। এই কথাটা জানাজানি হয়ে যাওয়ার পর পিয়া তড়িঘড়ি নিজেকে বাঁচাতে দায়ভার তুলে দেন স্বরূপের হাতে। এবার আপনারাই বুঝে নিন কীভাবে সিন্ডিকেট রাজ করত ইন্ডাস্ট্রিতে।’

আরও পড়ুন: মানসিক চাপ থেকে মস্তিকে রক্তক্ষরণ, এখন কেমন আছেন ‘অমর প্রেম’ খ্যাত সুজিত গুহ?

শতদীপের কথায়, ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ এবং ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ এই দুটি ছবির ডিস্ট্রিবিউটর ছিলেন তিনি। কিন্তু একদিকে যেমন ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ মুক্তি দেওয়া হয়নি তেমন অন্যদিকে কেরালা স্টোরি তিন দিন চলার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে অর্ডার আসার পরেও হল মালিকদের ভয় দেখানো হয়েছিল, কিন্তু সেদিন কেউ প্রতিবাদ করেনি।