Sayantani Guhathakurta: আবারও একটি মৃত্যু সংবাদ, কাছের মানুষকে হারালেন সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা

Sayantani Guhathakurta: মৃত্যু মিছিল যেন কোনোভাবেই থামছে না টলিউডে। ২০২৬ শুরু হতেই একের পর এক দুঃসংবাদ শুনতে পাওয়া যাচ্ছে টলিউডের অন্দর থেকে। গত ২৯ মার্চ রাহুলের মৃত্যুর পর গত ২৭ মে টলিউড হারায় পরিচালক অনীক দত্তকে। এবার কাছের মানুষকে হারালেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা।

Published on: May 29, 2026, 18:55:55 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

Sayantani Guhathakurta: মৃত্যু মিছিল যেন কোনওভাবেই থামছে না টলিউডে। ২০২৬ শুরু হতেই একের পর এক দুঃসংবাদ শুনতে পাওয়া যাচ্ছে টলিউডের অন্দর থেকে। গত ২৯ মার্চ রাহুলের মৃত্যুর পর গত ২৭ মে টলিউড হারায় পরিচালক অনীক দত্তকে। এবার কাছের মানুষকে হারালেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা।

কাছের মানুষকে হারালেন সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা
কাছের মানুষকে হারালেন সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা

জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পিসির খুব কাছের ছিলেন সায়ন্তনী আর তাই পিসিকে হারিয়ে ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী। সায়ন্তনীর পিসির বয়স ছিল ৭০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভুগছিলেন কিডনির সমস্যায়। নিয়মিত ডায়ালিসিস হচ্ছিল তাঁর। কিন্তু সব চিকিৎসার পরেও শেষ রক্ষা হলো না। চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে গেলেন সায়ন্তনীর পিসি।

আরও পড়ুন: পরমব্রতর বিরুদ্ধে পদক্ষেপে ' না ', হাইকোর্টের রায়ে স্বস্তিতে অভিনেতা

পিসির স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে আনন্দবাজার ডট কমকে সায়ন্তনী জানান, যেহেতু ছোট থেকেই তিনি পিসির কাছে মানুষ তাই পিসিকে মা বলে জানতেন তিনি। বাবা মা দুজনেই কর্মরত ছিলেন তাই বেশিরভাগ সময় পিসির সঙ্গে কেটে যেত তাঁর। পিসিকে ডাকতেন ‘মামমাম’ বলে।

শেষ সময়টা পিসির কাছেই ছিলেন সায়ন্তনী। শুক্রবার সকাল থেকেই সায়ন্তনীর মনে হচ্ছিল তিনি পিসিকে আর হয়তো বেশিক্ষণ পাবেন না তাই কিছু চিন্তাভাবনা না করেই পিসির বাড়ি চলে গিয়েছিলেন তিনি। গিয়ে দেখেন, তিনি ভীষণ অসুস্থ।

আরও পড়ুন: শুক্রের সকালে নন্দনে এলেন অনীক! মালা দিয়ে পরিচালককে শেষশ্রদ্ধা জানাল টলিউড

তবে শুধু পিসি একা নন, সায়ন্তনীর মাও এখন বেশ অসুস্থ। অন্যদিকে পিসেমশাইও একা থাকেন। পিসির একমাত্র মেয়ে থাকে বিদেশে। পিসিকে হারিয়ে পিসেমশাইও শোকস্তব্ধ। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী জানান, এক প্রকার সায়ন্তনীর হাতেই পিসি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পিসতুতো বোন দেশে থাকেন না তাই শুক্রবারই সায়ন্তনীর পরিবারের অন্য সদস্য শেষ কাজ করবেন। সবকিছু মিলিয়ে পিসির এইভাবে হঠাৎ চলে যাওয়া একেবারেই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না সায়ন্তনী।