'মাটিতে বসে পা ধরে আশিষ কাঁদছিল…', মেয়ের রাজশীর বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে যা বললেন শকুন্তলা

শকুন্তলা বডুয়ার কন্যা রাজশী বডুয়াকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন আশীষ বিদ্যার্থী। দীর্ঘদিন সংসার করেছেন তাঁরা। তাঁদের একটি ছেলেও আছে। কিন্তু একটা সময় এসে তাঁদের সম্পর্কে ভাঙন ধরে, হয় বিচ্ছেদ। বিচ্ছেদের পর ফের জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেন আশিষ। এবার মেয়ের বিয়ে ভাঙা নিয়ে মুখ খুললেন শকুন্তলা বডুয়া।

Updated on: Feb 2, 2026, 13:33:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অভিনেত্রী শকুন্তলা বড়ুয়ার কন্যা রাজশী বড়ুয়াকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন আশিষ বিদ্যার্থী। দীর্ঘদিন সংসার করেছিলেন তাঁরা। তাঁদের একটি ছেলেও আছে। কিন্তু একটা সময় এসে তাঁদের সম্পর্কে ভাঙন ধরে, হয় বিচ্ছেদ। বিচ্ছেদের পর ফের জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেন আশিষ। এবার মেয়ের বিয়ে ভাঙা নিয়ে মুখ খুললেন শকুন্তলা বড়ুয়া।

'মাটিতে বসে পা ধরে আশিষ কাঁদছিল…', মেয়ের রাজশীর বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে যা বললেন শকুন্তলা
'মাটিতে বসে পা ধরে আশিষ কাঁদছিল…', মেয়ের রাজশীর বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে যা বললেন শকুন্তলা

আরও পড়ুন: পদ্মশ্রীর জন্য শুভেচ্ছা জানাতে উপহারের ডালি হাতে প্রসেনজিতের বাড়িতে যশ-নুসরত! নায়কের জন্য কী কী গিফট নিয়ে গেলেন তাঁরা?

তিনি ক্লিপ স্টুডিয়ো নামে একটি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আশিষের সঙ্গে এখনও রাজশীর খুব ভালো সম্পর্ক।’ সম্প্রতি আশিষ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে টেনে শকুন্তলা বলেন, ‘ওঁর অ্যাক্সিডেন্টের কথা শুনেই ওঁকে আমি ফোন করেছিলাম। ও আমাকে বলেছিল, ‘থ্যাঙ্ক ইউ দেবীদি, রূপালি ভালো আছে। আমাদের আজকেই ছেড়ে দেবে। আবার কথা হবে'। সেই সময় আমি রাজশীকেও ফোন করে ওঁদের খোঁজ নিতে বলি। ও জানায় যে আশিষ আর রূপালি দু'জনের সঙ্গেই ওঁর কথা হয়েছে। আশিষকে আমি প্রচন্ড ভালোবাসতাম, এখনও ভালোবাসি।'

এরপরই শকুন্তলা জানান তাঁর মেয়ে ও প্রাক্তন জামাইয়ের বিচ্ছেদের কারণ। তিনি বলেন, ‘ছেলেকে পুরো রাজশীই মানুষ করেছে। আশিষ তো দেখেইনি কিছু। আশিষের কথা হচ্ছে, ‘তুমি আমার সঙ্গে সঙ্গে ঘোরো। আমার সঙ্গে চলো। তোমার কেরিয়ারে জন্য আমি যেমন যেমন বুঝবো, তোমার যেমন ভালো লাগবে, আমি সেগুলো করব'। কিন্তু রাজশীর সেটা পছন্দ নয়। ওঁর ওঁরটা নিজে খুঁজে নিতে, করে নিতে চায়। রাজশী মতে, গায়ে গায়ে ঘোরা, বউ হয়ে বসে থাকা সে আর পারবে না। আশিষ চলে যাওয়াতে জায়গাটা বড্ড ফাঁকা হয়ে যায়। ও এখনও বলে, 'আমি জানি আশিষও খুব কষ্ট পেয়েছে'। আমিও নিজের চোখেও দেখেছি, যখন দু'জন দুই ঘরে আলাদা হয়ে যায়। রাজশীকে আশীষের বাড়ি ছাড়ার আগে কাঁদতে কাঁদতে জিনিসপত্র ঘোছাতে দেখেছিলাম। তবে আমি কখনওই ওঁদের মধ্যে ঢুকিনি।'

আরও পড়ুন: ২য় বিয়ের পর প্রথমবার বইমেলায় এলেন মধুমিতা, সঙ্গে নেই স্বামী দেবমাল্য! কে ছিল নায়িকার সঙ্গী?

তিনি আরও বলেন, ‘এই ছাড়াছাড়ির আগে ওঁরা দু’জনে আমার কাছে এসেছিল। আমার কাছে এসে কয়েক দিন ছিল। সেই সময় একদিন আমি খাটে বসেছিলাম। রাজশী আমার পাশে বসেছিল। আর আশিষ মাটিতে বসেছিল। ও আমার পা ধরে মাটিতে বসে কাঁদছিল। আমাকে বলেছিল, ওঁকে বারণ করো এটা করতে'। তখন আশিষকে আমি বলেছিলাম, ‘আশিষ আমাকে বলে কোনও লাভ আছে? এই তো তোমার চোখের সামনে তো বলছি, ও শুনছে আমার কথা?’ তবে এখনও ওঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক আগের মতই আছে। আশিষ খুব সকাল সকাল ওঠে। এখনও অনেক সময় আমার বাড়িতে সকাল সকাল কচুরি নিয়ে হাজির হয়। আমার বেডরুমে ঢুকে, 'দেবী দি' বলে আমার খাটে আমার পাশে বসে পড়ে। তাই ওঁদের যে বিচ্ছেদ হয়েছে তা আমি কিছুই বুঝতে পারি না।' প্রসঙ্গত, রাজশীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০২৩-এর ২৫ মে তে অসমের মেয়ে রূপালি বড়ুয়ার সঙ্গে ফের গাঁটছড়া বাঁধেন আশিষ।