JEETU-SHIRIN: চিরদিনই-র সেটে কী নিয়ে হয় জীতুর সঙ্গে ঝামেলা, কেন করেন আনফলো? মুখ খুললেন শিরিন
চিরদিনই তুমি যে আমার-এর সেটে দুই নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায় ও শিরিন পালের সঙ্গে জীতুর মনোমালিন্য হয়। দিতিপ্রিয়ার ব্যাপারটা বেশ অনেক দূর গড়ালেও, শিরিনের সঙ্গে ব্যাপারটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আনফলো’-তেই আটকে থাকে। আদৌ কী হয়েছিল প্রথম নায়কের সঙ্গে? মুখ খুললেন জীতু।
বাংলা ধারাবাহিকের মধ্যে অন্যতম বিতর্কিত বলা যেতে পারে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-কে। আর সবটাই চলেছিল জীতু কমলকে কেন্দ্র করে। প্রথম নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায় তো সিরিয়ালই ছেড়ে দেন মাঝপথে। শিরিনের ব্যাপরটাও সামনে আসে তখন, যখন দেখা যায় জীতুকে আনফলো করে দিয়েছিলেন তিনি। কদিন আগে এই জীতুকে নিয়ে শিরিন ও তাঁর প্রেমিক জিৎ সুন্দর ডেটে অবধি গিয়েছিলেন! যদিও কী নিয়ে মনোমালিন্য বা ভুল বোঝাবুঝি, কেউই আনেননি এতদিন সামনে। এই প্রথম মুখ খুললেন শিরিন।

সিটি সিনেমাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিরিন বলেন, ‘বিশ্বাস করো কিছুই না, একেবারেই কিছু না। এবার কাজ করতে গেলে তো মনোমালিন্য হতেই পারে। আমরা শেষ দিনও একসঙ্গে মজা করেছি, হাসিঠাট্টা করেছি, একেবারেই কোনো সমস্যা নেই। ফোনেও কথা হয়েছে আমার আর জীতুদার। আমরা বসে আলোচনা করেছি, গল্প করেছি।’
শিরিনের দাবি, যদি কোনো সমস্যা থাকত, তাহলে তিনি তা নিয়ে অবশ্যই কথা বলতেন। নিজেকে ‘স্পষ্টবক্তা’ জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া আছে বলে মানুষের নিজের মতো করে একটা ধারণা তৈরি করে নেবে, সেটাই খুব স্বাভাবিক। কিন্তু বিশ্বাস কর, কোনো সমস্যা একেবারেই নেই। না আমি এটা নিয়ে কথা বলেছি। না জীতুদা এটা নিয়ে কথা বলেছে। সত্যি সমস্যা থাকলে তো আমরা বলতাম, দুজনেই বলতাম। কারণ আমি বরাবরই ভীষণ স্পষ্টবক্তা, বিশেষ করে আমি যা বলতে চাই তা নিয়ে। আমার যদি কিছু বলার থাকে আমি বলবই ভাই। আমাকে কেউ আটকাতে পারবে না। আমরা সত্যি এটা (জীতুর সঙ্গে মনোমালিন্য) নিয়ে বলার কিছু নেই। কারণ এরকম কোনো ব্যাপারই আসলে নেই।’
চিরদিনই তুমি যে আমার ধারাবাহিক বিতর্কে জর্জরিত করেছে জীতুকে। এমনকী, তাঁর ‘চরিত্রের’ দিকেও উঠেছে আঙুল। ধারাবাহিক শুরু হওয়ার মাসখানেকের মধ্যেই প্রথম নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায়ের একটি ফেসবুক পোস্ট আসে। বলা ভালো, আলোড়ন ফেলে দেয়। ফেসবুকের সেই পোস্টটিতে দিতিপ্রিয়ার দাবি ছিল, তিনি একবার মা-কে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার কথা বলাতে, জীতুর জবাব ছিল ‘কেন প্রেগন্যান্ট’। AI দিয়ে ভক্তদের বানানো তাঁর ও জীতুর (তৎকালীন আর্য ও অপর্ণার) চুমু খাওয়ার ভিডিয়ো পাঠাতেন তাঁকে জীতু। এমন নাকি অনেক কথাই বলতেন তাঁকে, যাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য নন। তবে দিতিপ্রিয়ার এই পোস্টের পর জীতুর থেকেও আসে জবাব। তিনি দুজনের মধ্যে হওয়া চ্যাটের স্ক্রিনশট ভাগ করে নেন। দাবি করেন, কোনোদিন তাঁর কোনো ‘মস্করা’য় কোনো ‘প্রতিবাদ’ করেননি দিতিপ্রিয়া, বরং হেসেই সবটা নিয়েছেন। সেই সময় প্রযোজনা সংস্থার মধ্যস্থতায় সব মিটে যায়।
তবে তারপর কয়েক মাস যেতে না যেতেই দুজনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়। এতটাই যে দুজনে একসঙ্গে শট পর্যন্ত দিতেন না, ব্যবহার করা হত ডামি। এরপর জীতুকে সরানোর চেষ্টা করা হয় চিরদিনই ধারাবাহিক থেকে, এমন রিপোর্টও আসে। তবে জীতু ভক্তরা ফেসবুকে ধারাবাহিক বয়কটের ডাক তুললে সাহস পাননি নির্মাতারা। এরপর দিদিপ্রিয়া নিজেই ছেড়ে দেন ধারাবাহিক। তারপরই সিনে এন্ট্রি হয় শিরিনের। অপর্ণার চরিত্রের দায়িত্ব তুলে নেন নিজের কাঁধে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


