...
...
Next Story

ফিশ ফ্রাই থেকে বিরিয়ানি, কাবাব, পিঠে-সহ আর কী কী লোভনীয় পদে ঠাসা ছিল শ্বেতা-রুবেলের বিবাহবার্ষিকীর মেনু?

দেখতে দেখতে এক বছর পূর্ণ হল শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাসের বিয়ের। গত বছর ১৯ জানুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন তাঁরা। সোমবার সন্ধ্যায় তাই বেশ বড় করে উদযাপন সারেন তাঁরা। যদিও প্রথমে ঘরোয়া ভাবেই কেক কেটে উদযাপন করেছিলেন। জানেন তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর এই বিশেষ অনুষ্ঠানের মেনুতে কী কী পদ ছিল?

Published on: Jan 20, 2026, 12:16:49 IST
Advertisement

দেখতে দেখতে এক বছর পূর্ণ হল শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাসের বিয়ের। গত বছর ১৯ জানুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন তাঁরা। তারপর একসঙ্গে চুটিয়ে সংসার করছেন। আর এবার তাঁদের বিয়ের জন্মদিন। সোমবার সন্ধ্যায় তাই বেশ বড় করে উদযাপন সারেন তাঁরা। যদিও প্রথমে ঘরোয়া ভাবেই কেক কেটে উদযাপন করেছিলেন। জানেন তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর এই বিশেষ অনুষ্ঠানের মেনুতে কী কী পদ ছিল?

বিরিয়ানি থেকে কাবাব-সহ আর কী কী পদ ছিল শ্বেতা-রুবেলের বিবাহবার্ষিকীর মেনুতে?
বিরিয়ানি থেকে কাবাব-সহ আর কী কী পদ ছিল শ্বেতা-রুবেলের বিবাহবার্ষিকীর মেনুতে?

আরও পড়ুন: গোবিন্দার ‘বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক’-এর ইঙ্গিত দেন স্ত্রী সুনীতা! এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়কের ভাইপো

শ্বেতা-রুবেলের বিবাহবার্ষিকীর মেনুর স্টার্টারে ছিল চিকেন মালাই কাবাব, চিকেন হরিয়ালি কাবাব, পনীর সাসলিক, কফি, মকটেল, বেবি কর্ণ তাছাড়াও ছিল ভাপা পিঠের স্টল। অন্যদিকে, মেন কোর্সে ছিল, ডায়মন্ড ফিশ ফ্রাই, স্যালাড ও কাসুন্দি, রুমালি রুটি, ডাল মাখানি, চিকেন বিরিয়ানি, মাটন কষা, ড্রাই ফ্রুট চাটনি, পাঁপড়, রসোগোল্লা, সন্দেশ, পান। ট্যুইস্টার ইভেন্টের পক্ষ থেকে তাঁদের বিয়ের মেনু ভাগ করে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: একগুচ্ছ ব্রেকআপের পর প্রেমদিবসে করবেন শ্যামৌপ্তিকে বিয়ে! রণজয় বলছেন, 'আমি চিরকালই...'

প্রসঙ্গত, এই উদযাপন ছাড়াও মধ্যরাতে কেক কেটে বিয়ের জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন তাঁরা। শ্বেতা বেগুনি রঙের ইন্ডিয়ান স্টাইল গাউনে সেজে উঠেছিলেন। অন্যদিকে, রুবেলের দেখা মেলে ক্য়াজুয়াল পোশাকে। প্রিয়জনদের সাক্ষী রেখে কেক কাটেন তাঁরা।

প্রথম বিবাহবার্ষিকীর উদযাপনের ভিডিয়ো শেয়ার করে শ্বেতা ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘শুভ বিবাহবার্ষিকী! দেখতে দেখতে ১ বছর পার করে ফেললাম আমরা। এমন ভাবেই সারা জীবন কাটাতে চাই তোমার সাথে। জীবনের শেষ নিশ্বাস অব্দি তোমার হাতটাই শক্ত করে ধরে রাখতে চাই।’ তবে তাঁর পরের লাইনটিই ছুঁয়ে গিয়েছে হাজারো অনুরাগীর হৃদয়। শ্বেতা লিখেছেন, ‘জীবনের একটাই ইচ্ছে যখন শেষ যাত্রায় যাব যেন সিঁথিতে সিঁদুর নিয়ে যেতে পারি। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। সেই আশীর্বাদ থেকে আমি একটা দিনের জন্য বঞ্চিত হতে চাই না… অনেক অনেক ভালোবাসি তোমায়।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe