২৫ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে কাঞ্চন মল্লিক জানিয়েছেন, তিনি হয়েছেন একটি পুত্র সন্তানের বাবা। শ্রীময়ী এবং কাঞ্চনের ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় সন্তান, নাম ‘কৃষিভ’। তৃতীয় বার ঘর বাঁধার পর দ্বিতীয় বার বাবা হলেন কাঞ্চন মল্লিক। তবে এই গোটা জার্নিতে সুখবরটি কারও সঙ্গে শেয়ার করেননি তাঁরা। তবে শ্রীময়ীর গর্ভবতী হওয়ার অবস্থা যিনি সবার আগে জেনেছিলেন, তিনি হলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

ঋতুপর্ণা এবং শ্রীময়ীর সম্পর্ক বেশ গভীর, এ কথা বহুবার ক্যামেরার সামনে বলেছেন শ্রীময়ী। তিনি ঋতুপর্ণাকে নিজের দিদির মতই ভালোবাসেন। তবে দ্বিতীয়বার প্রেগনেন্সি জার্নিতে ঋতুপর্ণা কীভাবে পাশে ছিলেন সেটাই সকলকে জানালেন কাঞ্চন পত্নী। ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ বন্ধু হয় না, এই মিথ ভেঙে দিয়েছে শ্রীময়ী চট্টরাজ এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বন্ধুত্ব।
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক পালা বদলে কাজে ফিরলেন ‘মেম বউ’ বিনীতা, কোন ছবিতে অভিনয় করবেন তিনি?
শ্রীময়ীকে ৯ মাসের সাধ খাইয়েছিলেন ঋতুপর্ণা, যদিও সেইসব ছবি এতদিন অন্তরালেই রেখেছিলেন শ্রীময়ী। তবে পুত্র সন্তানের মা হওয়ার পর সেই মিষ্টি মুহূর্তের ছবি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তিনি। ভাগ করলেন আরও একটি মিষ্টি সম্পর্কের কথাও। কাঞ্চন পত্নী যে ছবিগুলি সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, খুব যত্ন করে হবু মাকে সাধ খাওয়ানোর আয়োজন করেছেন ঋতুপর্ণা।
তবে আয়োজনের থেকেও বড় যে প্রাপ্তি সেটি ছিল ঋতুপর্ণার আগলে রাখা, ভালোবাসা। ঋতুপর্ণা যে কত বড় মনের মানুষ সে কথাই এবার উঠে এল শ্রীময়ীর পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে। শ্রীময়ীর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর পরিচিত অনেক মানুষ থাকলেও বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে নেই। কিন্তু ঈশ্বর তাকে দিয়েছেন এমন একজন বেস্ট ফ্রেন্ড, যিনি রক্তের সম্পর্কের থেকেও অনেক বেশি আপন। তিনি হলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
{{/usCountry}}তবে আয়োজনের থেকেও বড় যে প্রাপ্তি সেটি ছিল ঋতুপর্ণার আগলে রাখা, ভালোবাসা। ঋতুপর্ণা যে কত বড় মনের মানুষ সে কথাই এবার উঠে এল শ্রীময়ীর পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে। শ্রীময়ীর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর পরিচিত অনেক মানুষ থাকলেও বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে নেই। কিন্তু ঈশ্বর তাকে দিয়েছেন এমন একজন বেস্ট ফ্রেন্ড, যিনি রক্তের সম্পর্কের থেকেও অনেক বেশি আপন। তিনি হলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: হাসপাতালে ভর্তি তন্বী, হল অপারেশন, কী হয়েছে অভিনেত্রীর? এখন কেমন আছেন তিনি?
শ্রীময়ীর দ্বিতীয় প্রেগনেন্সির কথা জেনেই তাঁকে মনে জোর দেন ঋতুপর্ণা। যেহেতু প্রথম সন্তান এখন অনেকটাই ছোট তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের কথা ভেবে কিছুটা হলেও চিন্তায় পড়েছিলেন কাঞ্চন পত্নী। কিন্তু ঋতুপর্ণা বারবার বলেছিলেন, একেবারে চিন্তা না করতে। ঈশ্বর যখন এত বড় সুযোগ দিয়েছেন তখন আর নেগেটিভ চিন্তা না করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই শ্রেয় বলে উপদেশ দিয়েছিলেন বড়দিদি তথা প্রিয় বন্ধু ঋতুপর্ণা।
এই গোটা ৯ মাস শ্রীময়ীর গর্ভবতী হওয়ার খবর কাকপক্ষীকেও টের পেতে দেননি ঋতুপর্ণা। যেভাবে প্রতিটি পদে শ্রীময়ীকে তিনি আগলে রেখেছেন, সেটা খুব বন্ধু করতে পারে। শ্রীময়ীর এই পোস্ট আবার প্রমাণ করে দিল, ঋতুপর্ণা আক্ষরিক অর্থেই একজন বিশাল মাপের মানুষ।