শুধু অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, মা হিসেবেও নেটিজেনরা আজকাল ১০-এ ১০ দেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। বয়স মাত্র ৩৫, কেরিয়ারের মধ্যগগনে তিনি। একের পর এক সিনেমা-সিরিজে কাজ করে চলেছেন। রিয়েলিটি শো-র বিচারকও তিনি। মুম্বইতেও আনাগোনা বিজ্ঞাপনের শ্যুটে। তবে শত কাজের মাঝেও, দুই ছেলে-মেয়ের প্রতি দায়িত্বে একচুলও হেরফের হয় না। কখনো কি এরকম হয়েছে বাচ্চাদের শাসন করার সময়, মেজাজ হারিয়ে গায়ে হাত তুলে ফেলেছেন?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে কথা বলেন শুভশ্রী। রাজ-পত্নীকে বলতে শোনা যায়, ‘কখনো গায়ে হাত দেইনি আমার বাচ্চাদের। একদিনের জন্যও না। কারণ আমি মনে করি সেই অধিকারটাই আমার নেই।’
ইউভান-ইয়ালিনির মাম্মা এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে আরেকজন মানুষের উপর। আমার বাচ্চা আমি তখন ভাবি না। আমি একজন মানুষ, আমি আরেকজন মানুষের গায়ে হাত দিতে পারি না।’
২০১৮ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও রাজের এটি ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। কখনো মিমি চক্রবর্তী, কখনো পায়েল সরকারদের সঙ্গে নাম জড়ায় রাজের। পরিচালকের ক্যাসানোভা ইমেজ নিয়েও কানাঘুষো চলত টলিপাড়ায়। তবে শুভশ্রীকে বিয়ে করার পরে রাজ এখন ঘোর সংসারী। ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পর, বছর তিনেক দেবের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন শুভশ্রী। সেই প্রেম ভাঙার পর, সেভাবে আর কারও সঙ্গে দেখা যায়নি তাঁকে।
{{/usCountry}}২০১৮ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও রাজের এটি ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। কখনো মিমি চক্রবর্তী, কখনো পায়েল সরকারদের সঙ্গে নাম জড়ায় রাজের। পরিচালকের ক্যাসানোভা ইমেজ নিয়েও কানাঘুষো চলত টলিপাড়ায়। তবে শুভশ্রীকে বিয়ে করার পরে রাজ এখন ঘোর সংসারী। ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পর, বছর তিনেক দেবের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছিলেন শুভশ্রী। সেই প্রেম ভাঙার পর, সেভাবে আর কারও সঙ্গে দেখা যায়নি তাঁকে।
{{/usCountry}}২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমবার মা হন শুভশ্রী। কোলে আসে ইউভান। এখন সে পাঁচ বছরের। ছেলের বয়স যখন ৩, তখন দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন শুভশ্রী। কোলে আসে ইয়ালিনি। প্রথম প্রেগন্যান্সির সময় করোনা মহামারী ও লকডাউন চলায় মানতে হয়েছে নানা বিধিনিষেধ। একপ্রকার ঘরবন্দি জীবন কাটিয়েছিলেন তিনি। তবে ইয়ালিনি গর্ভে থাকার সময় চুটিয়ে কাজ করেন শুভশ্রী। এমনকী, ডেলিভারির আগে পর্যন্ত ডাক্তারের পরামর্শ মেনে যেতেন জিমেও।
শুভশ্রীর সোশ্যাল মিডিয়ার বায়োতে চোখ রাখলে দেখা যাবে, লেখা রয়েছে ‘আ প্রাউড মাম্মা’। বিয়ের আগেও দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তিনি খুব ভালো মা হতে চান। একটা মানুষকে নিজের গর্ভে জন্ম দেওয়ার যে আনন্দ, যে গর্ব তা তিনি অনুভব করতে চান।