Sudipa Chatterjee: 'যারা মার খাচ্ছেন তারা কেউ নেতা-নেত্রী নন', ভোটের দিনে বিক্ষিপ্ত অশান্তিতে মন খারাপ সুদীপার

Sudipa Chatterjee: অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোট। মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে গোটা ভোট পর্ব। তবুও এত কিছুর মধ্যে কিছু কিছু জায়গা থেকে উঠে এসেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর। ভোটের পরে এই অশান্তি নিয়েই কথা বললেন অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

Published on: Apr 29, 2026, 21:19:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Sudipa Chatterjee: অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোট। মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে গোটা ভোট পর্ব। তবুও এত কিছুর মধ্যে কিছু কিছু জায়গা থেকে উঠে এসেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর। ভোটের পরে এই অশান্তি নিয়েই কথা বললেন অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

ভোটের দিনে বিক্ষিপ্ত অশান্তিতে মন খারাপ সুদীপার
ভোটের দিনে বিক্ষিপ্ত অশান্তিতে মন খারাপ সুদীপার

কিছুদিন আগেই স্বামী অসুস্থ ছিলেন, তারপরেই মারা যান ননদ। সবকিছু সামলে ভোট দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথোপকথন সারেন সুদীপা। ভোট দিয়ে তিনি বেশ খুশি কিন্তু এই বছরেও এই ভোটের সময় যারা মার খেলেন তাদের জন্য বেশ চিন্তিত এবং দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায় সুদীপাকে।

আরও পড়ুন: 'প্রথম হিরো যে আমায় অপমান করেছে...', রণজয়কে নিয়ে কেন এমন মন্তব্য অভিকার?

সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুদীপা বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত ঘটনার কথা শুনতে পাওয়া গিয়েছে যেগুলো কাম্য নয়। সবথেকে খারাপ লাগে যারা মারেন অথবা মার খান, তারা কিন্তু কেউ নেতা-নেত্রী নন অথবা মন্ত্রী নন। তারা সবাই সাধারণ মানুষ। এটা শুনলে বা দেখলে খারাপ লাগে। বাকি তো সব ঠিক আছে।’

ভোট দেওয়ার সময় কোন কোন পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে তিনি ভোট দিয়েছেন জিজ্ঞাসা করায় সুদীপা বলেন, ‘আমি যে পরিবর্তনের কথা বলব সেই পরিবর্তনের সঙ্গে এখনকার পরিবর্তনের কোনও মিল নেই। আমি শুধু চাই যে আমরা যে স্বাধীন ভাবে বড় হয়েছি ঠিক তেমনভাবে যেন আমাদের সন্তানরাও বড় হতে পারে।’

আরও পড়ুন: 'একবার দেখারও উপায় নেই...', ‘বিবি পায়রা’-র সাফল্যের মধ্যেও কেন মন খারাপ অর্জুনের?

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমার মাথায় শুধু এইটুকুই ছিল যে মেয়েরা যাতে স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারে, স্বাধীনভাবে জামা কাপড় পরতে পারে। সবকিছু যেন খুব সুন্দর ভাবে হয়। আমরা যেন কেউ গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হই, এর থেকে বেশি কিছু চাওয়ার আমার নেই।’

সবশেষে সুদীপা জানান আদিদেবের খুব ইচ্ছে ছিল ভোট দিতে যাওয়ার কিন্তু তাকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তাই সে বাড়িতেই স্কেচ পেন দিয়ে আঙুলে দাগ দিয়ে দিয়েছে। যদিও সেই দাগ কিছুক্ষণের মধ্যে উঠেও গিয়েছে।