...
...
Next Story

কালীপুজো পর্যন্ত ভয়ে একা যান না ছাদে, কী এমন হয় সুদীপার বাড়িতে?

অমাবস্যা ও কালীপুজো যখন এই দুটি একসঙ্গে আসে তখন পৃথিবীতে অশরীরী আত্মার বিচরণ হয় বলে মনে করেন অনেকেই। মা কালীর সঙ্গে মর্ত্যে আসেন তেনারাও, বহু জায়গায় চলে তন্ত্র সাধনা। কিন্তু এ সমস্ত শুধুই মনগড়া গল্প নাকি রয়েছে কিছু সত্যতাও?

Published on: Oct 31, 2026, 21:00:30 IST
Advertisement

অমাবস্যা ও কালীপুজো যখন এই দুটি একসঙ্গে আসে তখন পৃথিবীতে অশরীরী আত্মার বিচরণ হয় বলে মনে করেন অনেকেই। মা কালীর সঙ্গে মর্ত্যে আসেন তেনারাও, বহু জায়গায় চলে তন্ত্র সাধনা। কিন্তু এ সমস্ত শুধুই মনগড়া গল্প নাকি রয়েছে কিছু সত্যতাও? সুদীপা চট্টোপাধ্যায় অভিজ্ঞতা কিন্তু বারবার জানান দেয় তেনাদের উপস্থিতি।

কী এমন হয় সুদীপার বাড়িতে?
কী এমন হয় সুদীপার বাড়িতে?

সম্প্রতি আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্বশুরবাড়ির এমন কিছু অলৌকিক ঘটনা তিনি সামনে নিয়ে এলেন, যার ব্যাখ্যা আজও করতে পারেনি কেউ। অনেকেই জানেন, প্রায় ১৬ বছর ধরে সুদীপার বাড়িতে দুর্গাপুজো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সঙ্গীতের সুরে বাঁধা হবে জীবন, পাঁচ নারীর স্বাধীনতার লড়াইয়ের গল্প বলবে ‘পরশমণি’

ষষ্ঠীর দিনে বৈষ্ণব মতে পুজো হয় সুদীপার বাড়িতে, এরপর সপ্তমীর দিন শৈব মতে পুজো শুরু হয় কারণ মনে করা হয় সেদিন সুদীপার বাড়িতে আসেন স্বয়ং শিব। এরপর সন্ধিপুজোর সময় থেকে দশমী পর্যন্ত তন্ত্র মাথে পুজো করা হয়। ঠিক সেই সময় থেকেই মায়ের প্রতিমায় যেন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

দুর্গাপুজোয় যেহেতু তন্ত্র মতে পুজো করা হয় তাই দশমী থেকে কালীপুজো পর্যন্ত বাড়িতে মেনে চলতে হয় কিছু নিয়ম। বাড়ির কেউ দেবীকে স্পর্শ করেন না। এমনকি প্রতিমার চারপাশ শিকল দিয়ে ঘিরে রাখা হয় যাতে ভুলবশত কেউ সেখানে চলে না যায়। শুধুমাত্র যিনি পুজো করেন এবং যিনি পুজোর কাজে সাহায্য করেন তিনি ছাড়া অন্য কেউ মাকে স্পর্শ করতে পারেন না।

সুদীপার বাড়ির সদস্যদের বিশ্বাস, যেহেতু সেই সময় বিভিন্ন আত্মা দেবীর চরণে আশ্রয় নেয় তাই ভুলবশত তাদের গায়ে পা লেগে যেতে পারে দেবীর কাছে গেলে। তাঁরা রুষ্ট হতে পারেন তাই দেবীর থেকে দূরত্ব মেনে চলতে হয় সকলকেই।

এরপর যখন ভূত চতুর্দশীর দিন দেওয়া হয় তখন বাড়ির সকলেই যেন পূর্বপুরুষদের উপস্থিতি অনুভব করতে পারেন। ওই সময়টা বাড়ীর ছাদে আর কেউ একা যায় না। একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয় সকলের। পারিবারিক রীতি মেনে সেদিন পুজো করে ধূপ ধুনো জ্বালানো হয় ছাদে। এই ভাবেই বছরের পর বছর কিছু নিয়ম মেনে চলছেন চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সকলে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks