গতবছর নভেম্বরের ২৪-এ মারা গিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর মৃত্যুর পর অভিনেতার শোকসভা নিয়ে নানা বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। তবে এই সব কিছুর মধ্যে ফের এক ফ্রেমে ধরা দিলেন দেওল ভাই-বোনেরা। অহনা দেওল ও এশা দেওলর সঙ্গে এক ফ্রেমে ধরা দিলেন সানি দেওল।

আরও পড়ুন: ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মানহানি…’, ‘হোক কলরব’-এর জন্য রাজকে আইনি নোটিশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীর!
সানি দেওল, বরুণ ধাওয়ান, আহান শেট্টি এবং দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত ‘বর্ডার ২’ মুক্তি পেয়েছে প্রায় তিন দিন হয়ে গেল। ছবিটি মুক্তির তৃতীয় দিনে মুম্বইতে একটি স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন হয়েছিল। আর এই স্ক্রিনিংয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিল সানি দেওলের সঙ্গে তাঁর দুই বোন, এশা এবং অহনা দেওলের উপস্থিতি। তাঁদের ভিডিয়োটি বর্তমানে ভাইরাল।
আরও পড়ুন: মধ্যরাতে রুদ্রজিতের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন মল্লিকার! দেখা মিলল না মেয়ের গরিমার
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সানির একপাশে তাঁর বোন এশা অন্যপাশে অহনা। তাঁদের কাঁধে হাত দিয়ে পোজ দিচ্ছেন সানি। পাপারাৎজিদের সামনে তিনি দুই বোনের সঙ্গে ছবি তোলেন।
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর তাঁরা প্রথমবারের মতো একসঙ্গে
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর এই প্রথম তিন ভাইবোনের প্রথম জনসমক্ষে একসঙ্গে উপস্থিত হন। তিনজনই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন।
{{/usCountry}}ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর এই প্রথম তিন ভাইবোনের প্রথম জনসমক্ষে একসঙ্গে উপস্থিত হন। তিনজনই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন।
{{/usCountry}}তবে, ২০২৩ সালের শুরুতে, যখন সানি দেওলের ছবি 'গদর ২’ মুক্তি পায়, তখন ইশা সানির জন্য একটি বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করেছিলেন। সেখানেও সানির সঙ্গে তাঁর দুই বোনকে দেখা গিয়েছিল। সঙ্গে ভাই ববি দেওলও ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর, খবরে বলা হয়েছিল যে হেমা এবং ববির পরিবার ও সানির মধ্যে সমস্যা তৈরি ছিল কারণ তাঁরা দু'জনেই ধর্মেন্দ্রের জন্য আলাদা প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছিলেন।
এই বিষয়ে হেমা টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘এটা আমাদের পরিবারের ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলি। আমি আমাদের বাড়িতে একটা প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছি কারণ আমার দলের লোকেদের আমন্ত্রণ জানাতে হতো। আমি দিল্লিতে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছি কারণ আমি রাজনীতিতে আছি এবং এটা সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মথুরা আমার নির্বাচনী এলাকা এবং সেখানকার মানুষেরা ধর্মেন্দ্রজির ভক্ত, তাই আমি সেখানেও একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছি। আমি যা করেছি তাতে আমি খুশি।’