লক্ষ্মীপুজোয় উত্তম কুমারের বাড়িতে এলেন শুভেন্দু, দিলেন বিশেষ বার্তা

লক্ষ্মীপুজোয় মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়িতে আমন্ত্রিত থাকে গোটা টলিউড সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আজ থেকে বহু বছর আগে বড় ছেলের জন্মের পরেই মহানায়ক উত্তম কুমার ভবানীপুরের গিরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে শুরু করে লক্ষ্মীপুজো।

Published on: Oct 25, 2026, 22:30:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

লক্ষ্মীপুজোয় মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়িতে আমন্ত্রিত থাকে গোটা টলিউড সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আজ থেকে বহু বছর আগে বড় ছেলের জন্মের পরেই মহানায়ক উত্তম কুমার ভবানীপুরের গিরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে শুরু করে লক্ষ্মীপুজো। রীতি মেনে মহানায়কের বাড়ির লক্ষ্মী প্রতিমার মুখ তৈরি করা হয় গৌরী দেবীর মুখের আদলে।

লক্ষ্মীপুজোয় উত্তম কুমারের বাড়িতে এলেন শুভেন্দু,
লক্ষ্মীপুজোয় উত্তম কুমারের বাড়িতে এলেন শুভেন্দু,

মহানায়কের প্রয়াণের এত বছর পরেও উত্তম কুমারের বাড়িতে আজও ধুমধাম করে পালন করা হয় লক্ষ্মীপুজো। এদিন আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন কোয়েল মল্লিক, সৃজিত মুখোপাধ্যায় সহ টলিউডের নামিদামি ব্যক্তিত্বরা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন: 'প্রথম থেকে শেষ অবধি বুঝতে পারিনি...', শিবপ্রসাদের পরিচালনায় খুশি প্রসেনজিৎ?

মহানায়কের বাড়িতে প্রবেশ করার আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লক্ষ্মীপুজো নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ছোটবেলা থেকেই নাড়ু খেতে ভীষণ পছন্দ করেন তিনি। শুধু নারকেল নাড়ু নয়, তিলের নাড়ু খুব ভালোবাসেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া খিচুড়ি ভোগ খেতে পছন্দ করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন জায়গায় নিমন্ত্রণ থাকলেও পুজোর ভোগের খিচুড়ি তিনি নিজের বাড়িতেই খান। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন বাড়ি গিয়ে তবেই তিনি খিচুড়ি ভোগ খেতে পছন্দ করেন। এরপরেই বাংলার নারীদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ‘দাদাগিরি’র সেটে ভূত? ভূতের মুখে দেব নাম! ‘হে ভগবান’, ভয়ে ভয়ে বললেন সঞ্চালক

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা আরো উন্নত হোক। শিল্প আসুক। কৃষক ভাইদের ভালো হোক এটাই চাই। বাংলা লক্ষ্মীদের নিরাপত্তার জন্য আগামী দিনে পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। কঠোর আইন কার্যকর করতে হবে। যারা অপরাধী তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে তবেই বাংলার মা বোনেরা সুরক্ষিত থাকবেন।’

সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমি একটা কথা অবশ্যই বলতে চাই। প্রত্যেক মেয়েদের লেখাপড়া শেখান। ১৮ বছরের আগে কাউকে বিয়ে দেবেন না। এরাই আমাদের আগামী প্রজন্ম। আগামী দিনের সব দিদি লাখপতি হোক, এটাই কামনা করি আমি।’