Swastika Dutta: ‘কলকাতায় কেউ নেই…’, প্রিয় নায়িকা কে প্রশ্নে স্বস্তিকার জবাব! ‘এই জন্যই অভিনয় পারে না’, শুনতে হল কটাক্ষ
এই মুহূর্তে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে স্বস্তিকা দত্তকে। শুধু টিআরপি তালিকাতেই এই ধারাবাহিক ভালো ফল করেনি, প্রশংসা পেয়েছে তাঁর অভিনয়ও। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে করা মন্তব্যের কারণে তাঁকে পড়তে হল ট্রোলে।
ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা, ওয়েব সিরিজে চুটিয়ে কাজ করছেন স্বস্তিকা দত্ত। তবে অভিনেত্রীর দেওয়া সাক্ষাৎকারের একটি ক্লিপিংস এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে অভিনেত্রীর কাছে ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রিয় নায়িকা কে জানতে চাওয়া হলে, তড়িঘড়ি জবাব দেন যে, ‘কলকাতায় কেউ নেই’! আর এতেই তিনি পড়েছেন ট্রোলের মুখে।

স্টোরি উইথ সাহানা পেজ থেকে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে স্বস্তিকাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রি থেকে তাঁর প্রিয় অভিনেত্রী কে? আর এতে টিভির ‘প্রফেসর বিদ্যা’ তড়িঘড়ি বলে ওঠেন, ‘কলকাতা? না কলকাতায় কেউ নেই। বম্বেতে আছে। করিনা কাপুর খান, কঙ্গনা রানাওয়াত, কঙ্কনা সেন শর্মা’।
আর এই ভিডিয়োর কমেন্ট সেকশনে চোখ রাখলে দেখা যাবে যে, তাঁর জবাবে বেশ অসন্তুষ্ট নেটপাড়া। কেউ তাঁকে ‘নাক উঁচু’ বলে কটাক্ষ করেছেন, তো কেউ প্রশ্ন ছুঁড়েছেন সুচিত্রা সেন, অপর্ণা সেন বা মৌসুমী চট্টোপাধ্য়ায়দের কি তিনি যোগ্য বলে মনে করেন না?
একটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘এতদিনে বুঝলাম কেন অভিনয়টা ভালোভাবে শিখে উঠতে পারেনি । এটাই তার কারণ।’ আরেকজন লেখেন, ‘সেই। সুচিত্রা সেন, অপর্ণা সেন, মৌসুমী চ্যাটার্জী এরা তো কেউ কিছু পারে না।’ অন্য একটি কমেন্টে আবার লেখা হয়, ‘আসলে কলকাতা থেকে উনি নিজেকেই সেরা বলে মনে করেন তো তাই এখানে আর কাউকেই পছন্দ নয়।’
চতুর্থ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘যদিও তার এটা ব্যক্তিগত পছন্দ। তবুও, 'কলকাতায় কেউ নেই' এটা কথাটার মধ্য দিয়ে টলিউডকে ছোট করা হল। অথচ সে নিজেই এখানে কাজ করে। এমনভাবে বলল যেন সে হলিউড অভিনেত্রী।’
২০১৫ সালে রাজ চক্রবর্তীর জনপ্রিয় সিনেমা 'পারব না আমি ছাড়তে তোকে'-তে দেখা গিয়েছিল স্বস্তিকাকে। তবে তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয় ভজ গোবিন্দ নামের একটি ধারাবাহিক। কী করে বলব তোমায়, তোমার খোলা হাওয়ায়-এর মতো মেগা-য় করেছেন কাজ। বর্তমানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে ব্লুজ প্রোডাকশন্সের ধারাবাহিকে তিনি 'প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি'-তে। যা টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফল করে এসেছে এতদিন।
এছাড়াও স্বস্তিকাকে দেখা গিয়েছে ফাটাফাটি, আলাপ-এর মতো সিনেমায়। ছিলেন গভীর জলের মাছ-এর দুটি সিজন, উত্তরণের মতো ওয়েব সিরিজেও। পেয়েছেন টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড, স্টার জলসা পরিবার অ্যাওয়ার্ড, জি বাংলা সোনার সংসার অ্য়াওয়ার্ডের মতো পুরস্কারও।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


