Swastika Mukherjee: 'ভীষণ রাগ হলে আমি...', রেগে গেলে সব সময় এই মজার কাজটি করেন স্বস্তিকা
Swastika Mukherjee: কেউ কেউ রেগে গেলে খুব চিৎকার করেন, কেউ আবার রেগে গেলে একেবারে চুপ করে যান। কিন্তু স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় রেগে গেলে বেছে নেন একটা মজার পদ্ধতি, যা তার রাগকে প্রশমিত করে তো বটেই, উল্টে আশেপাশের মানুষের কাছে তিনি হয়ে থাকেন একেবারে কুল।
Swastika Mukherjee: ভালোবাসা, কান্না, দুঃখ, ঘৃনা, ঈর্ষার মতো রাগও একজন মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই পড়ে। তবে এই রাগের বহিঃপ্রকাশ প্রত্যেকটা মানুষের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হয়। কেউ কেউ রেগে গেলে খুব চিৎকার করেন, কেউ আবার রেগে গেলে একেবারে চুপ করে যান। কিন্তু স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় রেগে গেলে বেছে নেন একটা মজার পদ্ধতি, যা তার রাগকে প্রশমিত করে তো বটেই, উল্টে আশেপাশের মানুষের কাছে তিনি হয়ে থাকেন একেবারে ‘কুল’।
রেগে গেলে সব সময় এই মজার কাজটি করেন স্বস্তিকা
সম্প্রতি বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে' বিবি পায়রা'। মুক্তির আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন স্বস্তিকা। সিনেমায় যেহেতু স্বস্তিকাকে বেশ রাগী বা বলা ভালো একেবারে অন্যরকম একটা চরিত্রে দেখতে পাওয়া গিয়েছে, তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে আসে বাস্তব জীবনে রাগ হলে স্বস্তিকা সেটা কী ভাবে কন্ট্রোল করেন?
এই প্রসঙ্গে জি ২৪ ঘণ্টাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা বলেন, ‘আমার যখন ভীষণ রাগ হয় তখন আমি জোরে জোরে হাসি। হয়তো আমার মনে হল যে এই মানুষটাকে আমার মেরে ফেলতে ইচ্ছা করছে, কিন্তু সেটা তো আর বাস্তবে হবে না। তাই আমার রাগ হলেই আমি হাসি। ভীষণ রাগ হলে আমি প্রচণ্ড হাসি। আমার আশেপাশের মানুষ আমাকে দেখে তখন খুব অবাক হয়ে যায়। কিন্তু এই ভাবেই আমি আমার রাগ কন্ট্রোল করি।’
স্বস্তিকা আরও বলেন, ‘এক একজন মানুষের রাগ কন্ট্রোল করার পদ্ধতি এক এক রকম। আমি হয়তো বললাম। এই ব্যাপারটা নিয়ে হয়তো সবাই মজা করছে কিন্তু সবাই নিজের নিজের মতো করে রাগ। প্রশমিত করার রাস্তা খুঁজে নেয়। রাগ হলে নিজেকে শান্ত করার জন্য এটাই আমি খুঁজে নিয়েছি।’
প্রসঙ্গত, ‘কালিপটকা’ সিরিজের পর ‘বিবি পায়রা’ ছবিতে দ্বিতীয়বার জুটি বাঁধলেন স্বস্তিকা এবং অনির্বাণ। তবে প্রথম সিরিজে স্ক্রিন শেয়ার করলেও এই সিনেমায় স্বামী স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তাঁরা।
Home/Entertainment/Swastika Mukherjee: 'ভীষণ রাগ হলে আমি...', রেগে গেলে সব সময় এই মজার কাজটি করেন স্বস্তিকা