পোশাক পরা অথবা জীবনযাত্রা, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় চিরকাল সকলের থেকেই আলাদা। সব সময় উচিত কথা মুখের সামনে বলতেই ভালোবাসেন তিনি। তবে বয়সকে লুকিয়ে রাখেন না বরং বার্ধক্যকে কীভাবে উদযাপন করা যায় সেটা শেখান স্বস্তিকা। এই মুহূর্তে তিনি দিদি নাম্বার ওয়ান-এর সঞ্চালিকা।

বহুবছর রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিদি নাম্বার ওয়ান অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা হিসেবে মানুষ দেখেছেন, রচনা থেকে স্বস্তিকা, এই পরিবর্তনটা খুব একটা সহজ ছিল না সকলের কাছে তার থেকেও বেশি কঠিন ছিল স্বস্তিকার কাছে। তবে নিজের স্বভাব সিদ্ধ কারনে খুব সহজে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: উত্তর মিললেই পাবেন টাকা! স্টার জলসায় আসছে নতুন রিয়ালিটি শো ‘খেলো বাংলা’
স্বস্তিকার সঞ্চালনা একেবারে অন্যরকম কারণ তিনি সঞ্চারক হিসাবে নয় বরং প্রত্যেক প্রতিযোগীর সঙ্গে মিশেছেন বন্ধুর মতো। সব ক্ষেত্রেই যিনি অনন্যা, সেই স্বস্তিকাকে এবার দেখতে পাওয়া গেল লরিতে চেপে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে। যদিও তিনি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে থাকেন তবে এবার লরিতে কেন?
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বস্তিকা যে ভিডিওটি প্রকাশে এনেছেন সেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, মাঝরাতে কলকাতার রাস্তায় লরিতে চেপে হাসিমুখে ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্বস্তিকা। পরনে শাড়ি, বোঝাই যাচ্ছে তিনি শুটিং সেরে চেপেছে লরিতে। ক্যাপশনেও ফুটে উঠেছে সেই কথাই।
তবে গাড়িতে না চেপে হঠাৎ লরিকে কেন বেছে নিলেন স্বস্তিকা? আসলে তিনি নিজে বাড়ি ফিরছেন না বরং বাড়িতে নিয়ে আসছেন মা'কে। গতকাল লরিতে করে দুর্গা ঠাকুরকেই আনতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। মধ্যরাতে খোলা আকাশের নিচে শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে পাড়ার ঠাকুর আনতে যাওয়ার মজাই যে একেবারে আলাদা তা স্বস্তিকাকে দেখলে বেশ ভালোই বোঝা যায়।
{{/usCountry}}তবে গাড়িতে না চেপে হঠাৎ লরিকে কেন বেছে নিলেন স্বস্তিকা? আসলে তিনি নিজে বাড়ি ফিরছেন না বরং বাড়িতে নিয়ে আসছেন মা'কে। গতকাল লরিতে করে দুর্গা ঠাকুরকেই আনতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। মধ্যরাতে খোলা আকাশের নিচে শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে পাড়ার ঠাকুর আনতে যাওয়ার মজাই যে একেবারে আলাদা তা স্বস্তিকাকে দেখলে বেশ ভালোই বোঝা যায়।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: পুজোর আগেই ছোটপর্দায় শরৎচন্দ্রের ‘সব্যসাচী’, কোন চ্যানেলে দেখা যাবে আবিরকে?
স্বস্তিকার এই ভিডিও দেখে একজন লেখেন, এমনই হওয়া উচিত সকলকে। আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতো। অন্য একজন লিখেছেন, ঠিক এই কারণেই আপনি সবার থেকে আলাদা। কিছু একজন লিখেছেন, কোথাকার ঠাকুর আনতে চললেন?
স্বস্তিকার বাড়িতে মূর্তিপুজো হয় না বরং হয় ঘট পুজো। এই পুজো তাঁর মা শুরু করেছিলেন তাই মহালয়া থেকে দশমী পর্যন্ত তিনি বাড়িতেই থাকেন। সম্পূর্ণ নিয়ম নিষ্ঠা ভরে একা হাতে সবকিছু করেন স্বস্তিকা।