২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন রুবেল দাস ও শ্বেতা ভট্টাচার্য। এখনও বছর ঘোরেনি। কোন গোপনে মন ভেসেছে-তে কাজ করতে করতেই অভিনেত্রী যান ছাদনাতলায়। আপাতত সেই ধারাবাহিক শেষ। বৃহস্পতিবার টেলি অ্য়াকাডেমি অ্যাওয়ার্ড নিতে পৌঁছেছিলেন রুবেল ও শ্বেতার জুটি। পুরস্কার নিয়ে ফেরার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তাঁরা।

হাতে আপাতত নতুন কাজ নেই। বিয়েরও অনেকগুলো মাস পেরিয়েছে। শ্বেতা কি মা হওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অভিনেত্রী প্রায় আঁতকে উঠে জবাব দেন, ‘না আমি প্রেগন্যান্ট না…’। সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, ‘কার্তিক ফেলতেও না করে দিয়েছিলাম। বলেছি এখনও সময় হয়নি। দেরি আছে। এখন কাজ করার সময়’।
আরও পড়ুন: আদুরে চুম্বন ঠোঁট ঠেঁসে! ডিভোর্স অতীত, কেমন জীবনসঙ্গী চান, জিতু-বিতর্কের মাঝেই জানালেন নবনীতা
যদিও বউয়ের এই ‘না’-তে আবার তরকা লাগান রুবেল। বউয়ের কথার মাঝেই বলে ওঠেন, ‘এখন স্বরস্বতী আছে, ওটাই থাকুক। পরে লক্ষ্মী আসুক। তারপর কার্তিকও চলে আসবে।’ শ্বেতা সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট করে দেন হাতে থাকা পুরস্কারের খাম দেখিয়ে, ‘লক্ষ্মী মানে এটা, এটা…’ চলতি বছরে টেলি অ্য়াকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে শ্বেতার হাতে কোনো পুরস্কার না উঠলেও, সেরা অভিনেতা হয়েছেন রুবেল তুই আমার হিরো ধারাবাহিকে শাক্যজিৎ চরিত্রের জন্য।
শ্বেতা ও রুবেলের প্রেম ও বিয়ে:
{{/usCountry}}শ্বেতা ও রুবেলের প্রেম ও বিয়ে:
{{/usCountry}}যমুনা ঢাকি সিরিয়ালে কাজ করার সময় একে-অপরের প্রেমে পড়েন শ্বেতা ও রুবেল। দুজনের রিল লাইফের সম্পর্ক গড়ায় রিয়েল লাইফেও। যদিও অনেক ছোটবেলা থেকে দুজনে চিনতেন একে-অপরকে। একসঙ্গে নাচ শিখতেন। এরপর রুবেল ভাগ্য অন্বেষণে চলে যান মুম্বই। শ্বেতা যদিও টলিউডেই কাজ করা শুরু করেন। তারপর মুম্বই থেকে ফিরে রুবেলের টলিউডে কাজের শুরু। আর যমুনা ঢাকি-র সেটে ফের দেখা হওয়া। প্রায় বছর পাঁচেক প্রেম করার পর ছদনাতলায়।
বিয়ের পর এক সাক্ষাৎকারে রুবেলকে বলতে শোনা গিয়েছিল, বিয়ের পর শ্বেতাকে আরও বেশি করে ভালোবাসছেন এখন। একসঙ্গে থাকার পর ভালোবাসা কমার প্রশ্নই ওঠে না। একসময় তুই আমার হিরো আর কোন গোপনে মন ভেসেছে-র সেট ছিল একই স্টুডিয়োতে। তাই কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলেই একে-অপরের সঙ্গে একটু সময় কাটিয়ে নিতেন। নেটপাড়ারও খুব পছন্দের এই জুটি। এমনকী, হামেশাই তাঁরা দাবি করে থাকেন, ছোটপর্দায় ফিরুক রুবেল-শ্বেতা একসঙ্গে।