বিয়ের পর থেকেই ঝিনুককে নিজের বাড়িতে আটকে রাখে সম্রাট। যদিও সেটা এখনো ঠিক করে বুঝে উঠতে পারেনি ঝিনুক। তবে সে অনেকটাই আন্দাজ করেছে। ঝিনুকের থেকে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হোক অথবা ঝিনুকের সঙ্গে অন্য কারোর কথা বলতে না দেওয়া, ধীরে ধীরে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা যেন অন্যরকম চেহারা নিচ্ছে।
বিয়ের পর থেকেই ঝিনুককে নিজের বাড়িতে আটকে রাখে সম্রাট। যদিও সেটা এখনও ঠিক করে বুঝে উঠতে পারেনি ঝিনুক। তবে সে অনেকটাই আন্দাজ করেছে। ঝিনুকের থেকে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হোক অথবা ঝিনুকের সঙ্গে অন্য কারও কথা বলতে না দেওয়া, ধীরে ধীরে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা যেন অন্যরকম চেহারা নিচ্ছে।
বিনা অনুমতিতেই ঝিনুকের বাড়িতে রনজয়!
কিন্তু এই সব কিছুর মধ্যেই হঠাৎ করে সম্রাটের বাড়িতে এসে যায় রনজয়। শুধু রনজয় নয়, স্ত্রীর বাড়ির সকলেই হঠাৎ করে হানা দেয় সম্রাটের বাড়িতে। কিন্তু সম্রাটের বাড়িতে কী করে ঢুকল সকলে? স্ত্রীর পরিবার এবং ঝিনুকের বন্ধুকে দেখে কী করল সম্রাট?
না, যেমনটা সকলে ভেবেছে তেমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। শ্বশুরবাড়ির সকলকে দেখে কিন্তু বেশ ভালই খুশি সম্রাট। এমনকি রণজয়কে ঝিনুকের পাশে বসিয়ে দিতেও রাজি সে। কিন্তু হঠাৎ করে এমন পরিবর্তন কি করে হল? তাহলে কি সম্রাট নিজের অতিরিক্ত পজেজিভ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে?
এক্ষেত্রে ব্যাপারটা একদম অন্যরকম। আসলে ধারাবাহিকের সিনে নয় বরং রিয়েল লাইফে সকলে একজোট হয়েছে। CityTalkies পেজ থেকে যে ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে কাজের ফাঁকে সকলকে দেখা গেল হাসি ঠাট্টায় মেতে থাকতে। সিরিয়ালে সম্রাট অরফে ধ্রুবজ্যোতি সরকারের অনস্ক্রিন বাড়িতে একজোট হয় সকলে।
সকলকে দেখে ধ্রুবজ্যোতি মজার ছলে বলেন, ‘ওয়েলকাম টু মাই হাউস’। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই কাছ থেকে একজন বলে ওঠে, ‘তোমার বাড়িতে এসেছি তুমি রাগ করনি তো?’ এর পরেই সকলকে পাশে বসিয়ে হাসি ঠাট্টা গল্পে মেতে ওঠেন পর্দার সম্রাট।
কমলা নিবাস প্রসঙ্গে
‘কমলা নিবাস’ ধারাবাহিকে এই মুহূর্তে দেখানো হচ্ছে, একদিকে পল্লবী ধীরে ধীরে ভালবাসতে শুরু করেছে আদিত্যক, অন্যদিকে সম্রাটের অতিরিক্ত ভালোবাসার চোটে বিরক্ত ঝিনুক। এইসবের মধ্যেই আবার দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চিন্তা করতে করতে যেতে গিয়ে এক্সিডেন্ট হয় শ্রীনিবাসের। কমলার জীবনে আসতে চলেছে বড় ঝড়।