Virat-Anushka: বিরাটের কপালে তিলক, গলায় তুলসীর মালা, অনুষ্কাকে নিয়ে এলেন প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে

আপাতত লন্ডনের বাসিন্দা বিরাট ও অনুষ্কা। তবে ভারতে এলেই চলে যান প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে। বুধবার দম্পতিকে দেখা গেল আরও একত্রে। কপালে তিলক, গলায় তুলসীর মালায় বিরাটকে দেখে চেনাই দায়।

Published on: Jul 22, 2026, 13:34:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বুধবার অনুষ্কা শর্মা ও বিরাট কোহলিকে দেখা গেল মথুরায় প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে। দুই তারকার ভিডিয়ো সোশ্য়াল মিডিয়ায় ছড়াতেই ভাইরাল। বছর কয়েক ধরে ভারত ছেড়ে লন্ডনেই থাকছেন বিরাট ও অনুষ্কা তাঁদের দুই সন্তানকে নিয়ে। রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রমে দুজনকে খালি পায়ে হাঁটতে দেখা যায়।

প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে বিরাট ও অনুষ্কা।
প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে বিরাট ও অনুষ্কা।

ভিডিয়ো ক্লিপে দেখা যাচ্ছে যে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দম্পতি আশ্রমে এসে পৌঁছাচ্ছেন। অনুষ্কা ও বিরাট দুজনেই ফেস মাস্ক পরে নিজেদের আড়ালে রেখেছিলেন। অভিনেত্রীকে দেখা গেল এক্কেবারে সাদা-মাটা লুকে, সুতির চুরিদারে। সাদা-র উপর নীল রঙের ফ্লোরাল প্রিন্ট। বিরাটের কপালে কাটা হয়েছে তিলক, গলায় থাক তুলসীর মালাও স্পষ্ট। প্রেমানন্দ মহারাজের আশীর্বাদ নেওয়ার আগে আশ্রম চত্বর ঘুরে দেখেন দুজনে।

রাধাবল্লভ সম্প্রদায়ের অন্তর্গত সন্ন্যাসী প্রেমানন্দ মহারাজ তাঁর তীব্র রাধা-কৃষ্ণ ভক্তি, সরল জীবনযাপন এবং সৎসঙ্গের জন্য জগতজুড়ে বিখ্যাত। মাত্র ১৩ বছর বয়সে, জীবনের আসল সত্য এবং ঈশ্বরের খোঁজে ঘর ছেড়েছিলেন নিশুতি রাতে, কাউকে কিছু না জানিয়েই। চলে আসেন কাশী (বর্তমান বেনারস)। দীক্ষা নেন। গঙ্গার ঘাটেই চলতে থাকে কঠোর তপস্যা ও শিবের আরাধনা। কাশীতে থাকাকালীন এক সন্তের অনুপ্রেরণায় তিনি প্রথমবার বৃন্দাবনে আসেন এবং রাধা-কৃষ্ণের লীলার প্রতি এক গভীর অভ্যন্তরীণ টান অনুভব করেন। তারপর থেকে পাকাপোক্তভাবে বৃন্দাবনেরই বাসিন্দা। শ্রী মোহিত গোস্বামী মহারাজের কাছ থেকে দীক্ষা নিয়ে রাধাবল্লভ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হন। জন্মনাম অনিরুদ্ধ কুমার পাণ্ডের পরিবর্তে নাম হয় ‘শ্রী হিত প্রেমানন্দ গোবিন্দ শরণ মহারাজ’। গত প্রায় ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাঁর দুটি কিডনিই। নিয়মিত চলে ডায়ালিসিস। তবে তার মাঝেও দিয়ে চলেছেন নিজের ভক্তদের সৎসঙ্গ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ও বিরাট মজার ছলে বলেছিলেন, ‘আমাকে দেখে কি পূজা-পাঠ করার মতো মনে হয়?’! সেই কোহলিই আজ বেছে নিয়েছেন আধ্যাত্মিক পথ। শোনা যায়, রাটের ক্যারিয়ারে যখন একটি দীর্ঘ অফ-ফর্ম বা কঠিন সময় চলছিল, তখন অনুষ্কার হাত ধরেই আধ্যাত্মিকতার জগতে পা রাখা। একাধিকবার তাঁদের দেখা গিয়েছে প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে। কোনো ভিআইপি আড়ম্বর ছাড়া সাধারণ মানুষের মতো মাটিতে বসেই তাঁরা মহারাজের আধ্যাত্মিক উপদেশ শোনেন। একাধিক সময় বিরাটের হাতে দেখা গিয়েছে ডিজিটাল ট্যালি কাউন্টার। আঙুলে আংটির মতো পরে থাকা এই ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসটি 'নাম জপ' বা 'মন্ত্র জপ'-এর জন্য ব্যবহার করা হয়।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More