পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। কিছু দিন আগেই দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিকে রাজনীতির মঞ্চে পা রেখে ছিলেন পরমব্রত। তৃণমূলের হয়ে প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল নায়ককে। এবার ভোট দিয়ে অনুরাগীদের বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি।

পরম ভোট দেওয়ার পর নিজের বেশ কিছু ছবি তাঁর অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ভাগ করে নেন। ছবিগুলি পোস্ট করে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় গান 'আমি বাংলায় গান গাই'-এর কিছু লাইন নিয়ে লেখেন, ‘বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান, ক্ষিপ্ত তীরধনুক, আমি একবার দেখি বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ। বাংলা মানে সমালোচনা করার অধিকার , একই সঙ্গে, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে বাঙালি হিসেবে নিজের মৌলিক পরিচয়র সঙ্গে আপস না করা!'
আরও পড়ুন: সৌরভ-ডোনা থেকে যশ-নুসরত, অঙ্কুশ, সস্ত্রীক জিৎ, মিঠুন, শ্রীলেখা, ইমন, ভোট উৎসবে অন্য মেজাজে টলিপাড়া
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি বেছে নিয়েছি, আমি আমার ভোট দিয়েছি। আমি নিশ্চিত, আপনিও বেছে নিয়েছেন। আমরা সবাই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাই। আমাদের পছন্দ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে কোনও পার্থক্য হয় না। অবশেষে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’
{{/usCountry}}তিনি আরও লেখেন, ‘আমি বেছে নিয়েছি, আমি আমার ভোট দিয়েছি। আমি নিশ্চিত, আপনিও বেছে নিয়েছেন। আমরা সবাই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাই। আমাদের পছন্দ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে কোনও পার্থক্য হয় না। অবশেষে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, পরম-পত্নী পিয়াও এদিন ভোট দেন। হাতের আঙুলে নীল কালি লাগানো ছবিও পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। তবে এই সব কিছুর মধ্যে সব যা নজর কাড়ে তা হল তাঁর ছবির ক্যাপশন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এবারের ভোট তাদের জন্য যাদের এবার ভোট নেই!’ এর থেকে বুঝতে সমস্যা হয় না যে তাঁর নিশানা এসআইআর-এর দিকে। প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে এবারে।
প্রসঙ্গত, পরমব্রত ছাড়াও আজ দেব, কোয়েল মল্লিক, রঞ্জিত মল্লিক, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, তাঁর স্বামী পরিচালক রাজ চক্রবর্তী, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, ইমন চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, মিঠুন চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, যশ দাশগুপ্ত, জিৎ, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, কনীনিকা বন্দোপাধ্যায়, শ্রীলেখা মিত্র, রচনা বন্দোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।