অ্যালোভেরা জেলের ম্যাজিক! চুল হবে কোমর পর্যন্ত লম্বা
চুল লম্বা করতে আমরা কত কিছুই না করি! দামি তেল, শ্যাম্পু থেকে সিরাম। কিন্তু আপনি কি কখনও অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে দেখেছেন? কোমর পর্যন্ত লম্বা চুলের জন্য অ্যালোভেরা জেল লাগানোর সঠিক পদ্ধতিটি জেনে নিন।
চুলের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর জন্য আমরা নানা ধরনের শ্যাম্পু, তেল, কন্ডিশনার, সিরাম ব্যবহার করি কিন্তু বৃদ্ধিতে সামান্যই উন্নতি হয়। অনেকেরই ইচ্ছা থাকে যে তাঁদের চুল কোমর পর্যন্ত লম্বা ও ঘন হোক। আপনারও যদি চুলের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর ইচ্ছা থাকে, তাহলে অ্যালোভেরা জেল লাগানোর সঠিক পদ্ধতিটি জেনে নিন।

অ্যালোভেরা চুলের জন্য খুবই উপকারী, যদি এটি সঠিকভাবে লাগানো যায় তাহলে এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়।
উপকারিতা:
অ্যালোভেরা জেলে ভিটামিন এ, সি এবং ই পাওয়া যায়। এই ভিটামিনগুলি চুলের বৃদ্ধির পাশাপাশি চুলকে মজবুত করে। এর ফলে স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং চুল দ্রুত বাড়ে। এটি চুল পড়া বা ভেঙে যাওয়াও কমায়। অ্যালোভেরা জেল লাগালে চুলে চমকও আসে। আপনার চুলে যদি খুশকি থাকে বা শুষ্কতা থাকে, তাহলে অ্যালোভেরা তা দূর করে কোমলতা আনবে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন:
প্রথমে অ্যালোভেরার উপরের স্তর কেটে সবুজ জেলটি বের করে নিন। এটি একটি বাটিতে রাখুন। যদি ২ চামচ জেল নেওয়া হয়, তবে এতে ১ চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে দিন। দুটিকে ভালোভাবে মিশিয়ে তারপর চুলে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে দিন। এতে চুলে চমক আসবে এবং বৃদ্ধি বাড়বে।
পেঁয়াজের রস, ২ চামচ অ্যালোভেরা জেল, ২ চামচ পেঁয়াজের রস নিন এবং মিশিয়ে দিন। ২০-২৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন এবং তারপর জল দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। পেঁয়াজের রস এবং অ্যালোভেরা চুল পড়া কমাবে এবং বৃদ্ধিও বাড়াবে।

আমলকি পাউডার, ২ চামচ অ্যালোভেরা জেলের মধ্যে ১ চামচ আমলকি পাউডার মেশান। এগুলি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। আমলকি পাউডার চুল কালো করতে সাহায্য করবে এবং অ্যালোভেরা জেল দৈর্ঘ্য বাড়াবে।
কতবার- এই জিনিসগুলি আপনি সপ্তাহে ২ বার চুলে লাগাতে পারেন। কিন্তু যেকোনো ১টি জিনিস বেছে নিয়ে সেটিই অনুসরণ করুন। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই আপনি পার্থক্য দেখতে পাবেন। এছাড়া, চুল ভালো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন এবং তেল ম্যাসাজও করুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


