Health Benefits of Ginger Water: কেন বলা হয় আদা-জল খেয়ে কাজে লাগতে? জানেন কি, এর কত গুণ

আদা জলের অনেক গুণ। সেই কারণেই আদা জল খেয়ে কোনও কাজ শুরু করতে। জেনে নিন, সেই গুণগুলি কী কী, কখন আদা জল খাবেন।

Published on: Jan 27, 2026, 14:39:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সাধারণ আদা বা শুকনো আদা বা আদা গুঁড়ো— প্রত্যেকটিরই অনেক গুণ। নিয়মিত এটি খেলে শরীরের বহু ধরনের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। জেনে নিন, সেগুলি কী কী।

কেন বলা হয় আদা-জল খেয়ে কাজে লাগতে? জানেন কি, এর কত গুণ
কেন বলা হয় আদা-জল খেয়ে কাজে লাগতে? জানেন কি, এর কত গুণ

অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যাপক উপকারী হতে পারে এই আদা জল। রোজ সকালে অল্প উষ্ণ জলে আদা বা আদা গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।

সর্দি-কাশির সমস্যা ভুগছেন? হাল্কা গরম জলে আদা ভিজিয়ে রাখুন। মিনিট খানেক রেখে সেই জল খান। তাতে সর্দি-কাশির সমস্যা কমবে। জমে থাকা মিউকাস বেরিয়ে যাবে।

হজমের সমস্যা, পেট ব্যথা, গ্যাসের সমস্যা কমাতে পারে আদা জল। সকালে খালি পেটে হাল্কা গরম জলে আদা মিশিয়ে খেলে এই সমস্যার পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।

ওজন কমাতে চান? বাড়তি মেদ ঝরাতে চান? তাহলে আপনার উপকার করতে পারে আয়ুর্বেদের এই অব্যর্থ ওষুধটি। এর বেশ কিছু উপাদান বিপাক হার বাড়িয়ে দেয়। তাতেই কমে বাড়তি মেদ।

চায়ের সঙ্গে আদা-জল মিশিয়ে নিন। তাতে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ শক্তি। মরশুম বদলের সময়ে এই পানীয় আপনার দারুণ কাজে লাগতে পারে।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More