Relationship Tips: রিলেশনশিপে আপনি 'ইউজড' হচ্ছেন না তো? রইল ৬ লক্ষণ

Relationship Tips: বর্তমান যুগে সম্পর্ক আরও বেশি জটিল হয়ে গিয়েছে। অনেকেই অভিজ্ঞতাহীনতা, বা অন্ধ ভালবাসার প্রভাবে ফেঁসে যান। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে, এক অজানা আশায় দিনের পর দিন পার্টনারের হাতে স্রেফ ইউজড হতে থাকেন।

Published on: Apr 14, 2026 9:36 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Relationship Tips: হাজারো বাধা বিপত্তি পেরিয়ে দু'জনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। আর সেখানেই 'হ্যাপি এন্ডিং' হয়ে যায় সিনেমাতে। কিন্তু বাস্তবে সেখান থেকেই শুরু আসল স্ট্রাগল। রিলেশনশিপে আসা যতটা সহজ, সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কিন্তু ততটা সহজ নয়। এর জন্য প্রয়োজন পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস, কমপ্যাটিবিলিটি এবং সবার উপরে পরস্পরের প্রতি নিঃশর্ত আকর্ষণ।

রিলেশনশিপে আপনি 'ইউজড' হচ্ছেন না তো? রইল ৬ লক্ষণ
রিলেশনশিপে আপনি 'ইউজড' হচ্ছেন না তো? রইল ৬ লক্ষণ

কিন্তু বর্তমান যুগে সম্পর্ক আরও বেশি জটিল হয়ে গিয়েছে। অনেকেই অভিজ্ঞতাহীনতা, বা অন্ধ ভালবাসার প্রভাবে ফেঁসে যান। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে, এক অজানা আশায় দিনের পর দিন পার্টনারের হাতে স্রেফ ইউজড হতে থাকেন।

এই অভিজ্ঞতা কমবেশি সকলেরই আছে। সম্পর্কে আপনার পার্টনার আপনাকে 'ইউজ' করছেন কিনা, কীভাবে বুঝবেন? রইল ৬ টি লক্ষণ। পুরুষ-মহিলা সকলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

১. কাজের সময়ে কাজী...

অ্যাসাইনমেন্টটা হাতে লিখতে হবে। কিংবা টিউশনে ছেড়ে আসার জন্য বাইক রাইড লাগবে। আর তার আগেই বেড়ে যায় ফোন। এমনিতে যার মেসেজের রিপ্লাই আসে না, সে-ই যেচে ছবি পাঠাতে থাকে। এদিকে কাজ মিটে যেতেই আবার আগের মতোই হয়ে যায়। এমনটা যদি হয়, তাহলে সাবধান হন। হতেই পারে, আপনার সাহায্য করার মানসিকতাকে আপনার পার্টনার ব্যবহার করছেন।

২. শুধুই শরীর

সম্পর্কে মনের পাশাপাশি শারীরিক আকর্ষণও আসে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনার সঙ্গী কি শুধুই শারীরিক আকর্ষণকেই বেশি প্রাধান্য দেন? শারীরিক চাহিদা মিটে গেলেই কি ব্যবহার বদলে যায়? খেয়াল করুন।

৩. জাস্ট ফ্রেন্ড

সারাক্ষণ কথা বলছেন। সিনেমা, পার্ক, ঘাট, রেস্তোরাঁ যাচ্ছেন। বাইকে করে ঘুরছেন। মনের কথাটাও জানিয়েছেন। এদিকে সকলের কাছে আপনার পরিচয় 'জাস্ট ফ্রেন্ড'। এমনটা হলে সেই সম্পর্ক থেকে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসুন। এমন ব্যবহারের অর্থ হল, আপনাকে নিয়ে শুধুই টাইম পাস করা হচ্ছে। বাস্তবে আপনার প্রতি কোনও আগ্রহই নেই তাঁর।

৪. পুরোটাই আপনার ঘাড়ে

রেস্তোরাঁর বিল থেকে ক্যাব ভাড়া, সবই যাচ্ছে আপনার পকেট থেকে। উল্টোদিকের মানুষটি শেয়ার করার উচ্চবাচ্যও করেন না। এমনটা হলে মানে মানে কেটে পড়ুন। অবশ্য এক্ষেত্রে আপনার সঙ্গীর আর্থিক পরিস্থিতিও বিবেচনা করুন। পড়ুয়াদের পক্ষে বেশি টাকা খরচ করা মুশকিল। কিংবা কোনও আর্থিক সমস্যায় আছেন কিনা জানার চেষ্টা করুন। এমনটা না হলে কিন্তু যে কোনও বিল অর্ধেক করাটাই দস্তুর।

৫. 'ধন্যবাদ' শব্দটার কোনও অস্তিত্ব নেই

২ ঘণ্টা জার্নি করে গেলেন। তাঁর সঙ্গে মাত্র ১৫ মিনিট কথা বলার জন্য। কিন্তু ম্যাডাম/স্যারের আজ মুড নেই। তারপর আবার ২ ঘণ্টা জার্নি করে ফিরে এলেন। দিনের পর দিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে কি এমনটাই মনে হচ্ছে? এমনটা হলে অবশ্যই সেখান থেকে বেরিয়ে আসুন। ধন্যবাদ একটি করমুক্ত শব্দ। কেউ আপনার 'গ্রান্টেড' হিসাবে নিলে তা মানবেন কেন?

৬. শুধু সুসময়ের সঙ্গী

আপনার পারিবারিক সমস্যা, কেরিয়ারের চিন্তা, অফিসের চাপ। অনেক কথা জমে মনের মধ্যে। প্রিয় মানুষের কাছে তা উগড়ে দিতে যান। কিন্তু তাঁর যেন সেসবে কোনও আগ্রহই নেই। বরং শুনে বিরক্ত হন। অথচ মজার কথা, ঘোরা-বেড়ানোর সময়ে মুড বিন্দাস। এমনটা হলে তাঁকে বুঝিয়ে বলুন। একজন ভালবাসার মানুষের কিন্তু একজন ভাল কাউন্সেলরও হওয়া প্রয়োজন।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More