Health Benefits of Drinking Lemon Water: খালি পেটে লেবুর জল খেলে কী হয়? সত্যিই কি কোনও উপকার হয় এর ফলে
Health Benefits of Drinking Lemon Water: প্রায় প্রত্যেকের রান্নাঘরেই লেবু থাকে। লেবুতে নানা ধরনের গুণ থাকে। বিশেষ করে ভিটামিন C থাকে প্রচুর পরিমাণে। তাই রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে লেবু কাজে লাগে। কিন্তু খালি পেটে লেবুর জল খেলে কী হয়? অনেকে মনে করেন এতে ওজন কমে? সত্যিই কি তাই?
Health Benefits of Drinking Lemon Water: সকালে খালি পেটে হাল্কা গরম জলে লেবুর রস খেলে, তার নানা রকমের প্রভাব শরীরে পড়ে। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী।

রোগ প্রতিরোধ শক্তি ধরে রাখাটা খুব দরকারি। লেবুতে প্রচুর ভিটামিন C থাকে। এই ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে লেবুর জল খেলে শরীরে প্রচুর ভিটামিন C যায়। তাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
শরীরে pH ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই দরকারি। তাতে হজমশক্তি বাড়ে, শরীরের কর্মক্ষমতাও বজায় থাকে। সকালে খালি পেটে লেবুর জল খেলে pH ভারসাম্য বজায় থাকে।
সকালে লেবুর জল খেলে মূত্রের পরিমাণ বাড়ে। তাতে কিডনি পরিষ্কার হয়। যাঁদের কিডনিতে স্টোন জমার আশঙ্কা রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত এই জল খেলে সেই আশঙ্কা অনেক কমে।
লেবুর জল খেলে ওজন কমে। এই দাবিও খুব একটা ভুল নয়। কারণ লেবুর জল খেলে বিপাক হার বা মেটাবলিজম বাড়ে। তাতে ওজন কমে।
ত্বকে কি নানা ধরনের সমস্যা হয়? র্যাশ বেরোয়, লাল দাগ হয়? তাহলে অবশ্যই রোজ সকালে খালি পেটে হাল্কা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে খান। ত্বকের বহু ধরনের সমস্যা কমে যাবে এর ফলে।
ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন? রোজ সকালে লেবুর জল খান। তাতে শরীর থেকে এই অ্যাসিড বেরিয়ে যাবে। গাঁটে গাঁটে ব্যথা হলে, সেটিও কমে যেতে পারে এর ফলে।
লেবুর জলে বহু ধরনের অ্য়ান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। সেই জল খেলে শরীর থেকে দূযিত পদার্থ বা টক্সিন বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর সুস্থ থাকে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


