Eye Care Tips: চোখ লাল হয়ে যাচ্ছে? অবহেলা করবেন না, এটি অনেকের মৃত্যুর কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে
চোখের সংক্রমণকে অনেকেই অনেক সময়ে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু এটি বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
অনেক সময়েই চোখ লাল হয়ে যায়। চোখের সাধারণ সংক্রমণ বলে এগুলিকে অনেকেই উড়িয়ে দেন। কিন্তু এই সাধারণ সংক্রমণও অনেক বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন, সেটি ছোটখাটো সাধারণ সংক্রমণ বা চোখে ঠান্ডা লাগা নয়? জেনে নিন।

হালে National Library of Medicine-এ একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে চোখের কয়েকটি সমস্যা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই সমস্যাগুলি অন্ধত্ব থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমস্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে।
দেখে নেওয়া যাক, কোন সমস্যাগুলি সবচেয়ে বেশি ভয়ের কারণ:
- Rhino orbital Cerebral mucormycosis: করোনাকালে এই অসুখটির কথা অনেকেই জেনে গিয়েছেন। মূলত স্টেরয়েড চিকিৎসা এবং অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সময়ে এই সংক্রমণটি হতে পারে। এটি মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ডায়াবেটিস বা ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য এই সমস্যাটি মারাত্মক আকার নেয়।
- Aspergillosis: এটিও ছত্রাকঘটিত অসুখ। এতে অন্ধত্বের আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। তবে মনে রাখা দরকার, প্রাথমিক অবস্থায় এর লক্ষণও সাধারণভাবে চোখ লাল হওয়া। মিউকরমাইকোসিসের সঙ্গে এর বেশ কিছু মিল রয়েছে। ন্যূনতম সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এক্ষেত্রে।
- Conjunctivitis (pink eye): অনেকেই এটিকে জয়বাংলা অসুখ বলে ডাকেন। বিশেষ আমল কেউই দেন না এটিকে। কিন্তু সঠিক সময়ে চিকিৎসা বা যত্ন না নিলে এই অসুখ মারাত্মক আকার নিতে পারে। তাই সচেতন থাকতেই হবে।
- Blepharitis: প্রাথমিকভাবে চোখ লাল হয়ে যায়, চোখ থেকে জল পড়ে এই সংক্রমণটি হলে। তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। এটি ব্যাকটিরিয়াজাত একটি সংক্রমণ। ফেলে রাখলে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে এই সংক্রমণটির কারণে।
- Uveitis: চোখে ভিতরের একটি সংক্রমণ। এক্ষেত্রেও চোখ লাল হয়ে যায়। এর অন্যতম কারণ rheumatoid arthritis। সঠিক সময়ে এর চিকিৎসা না হলে, এটি দৃষ্টিশক্তি দুর্বল করে দিতে পারে।
- Keratitis: এটি করনিয়ার সংক্রমণ। যাঁরা অতিরিক্ত সময় কনট্যাক্ট লেন্স পরে থাকেন, তাঁদের এই সমস্যাটি হয়। চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা জল পরার সমস্যা দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


