Christmas 2025: বড়দিনে বাড়িতে ক্রিসমাস ট্রি সাজাবেন? কীভাবে সাজালে দারুণ দেখতে লাগবে

ক্রিসমাস ট্রি সাজানো কেবল একটি ঐতিহ্য নয়, বরং এটি পরিবারের সকলের সঙ্গে মিলে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি দারুণ উপায়। তবে গাছটিকে যদি একটু পরিকল্পনা করে সাজানো যায়, তবে তা ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।

Published on: Dec 20, 2025, 09:13:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বড়দিন বা ক্রিসমাস মানেই আনন্দ, আলো আর বাড়ির কোণে সুন্দর করে সাজানো একটি ক্রিসমাস ট্রি। ক্রিসমাস ট্রি সাজানো কেবল একটি ঐতিহ্য নয়, বরং এটি পরিবারের সকলের সঙ্গে মিলে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি দারুণ উপায়। তবে গাছটিকে যদি একটু পরিকল্পনা করে সাজানো যায়, তবে তা ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।

বড়দিনে বাড়িতে ক্রিসমাস ট্রি সাজাবেন? কীভাবে সাজালে দারুণ দেখতে লাগবে
বড়দিনে বাড়িতে ক্রিসমাস ট্রি সাজাবেন? কীভাবে সাজালে দারুণ দেখতে লাগবে

কীভাবে আপনার বাড়ির ক্রিসমাস ট্রি-টিকে পেশাদারদের মতো দারুণভাবে সাজাবেন, জেনে নিন।

বাড়িতে ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর দারুণ কিছু টিপস

একটি সাধারণ কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক গাছকে অনন্য করে তুলতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

১. সঠিক লাইটিং বা আলোকসজ্জা

সাজানোর প্রথম ধাপই হলো আলো। সবসময় নিচ থেকে উপরের দিকে এবং ভেতর থেকে বাইরের দিকে লাইট লাগান। সাধারণ মাল্টিকালার লাইটের বদলে শুধু ওয়ার্ম হোয়াইট (Warm White) লাইট ব্যবহার করলে গাছটিতে একটি রাজকীয় বা ‘ক্ল্যাসি’ লুক আসে। লাইটগুলো ডালপালার একটু ভেতরে দিকে ঢুকিয়ে দিলে গাছটি ভেতর থেকে উজ্জ্বল দেখাবে।

২. একটি রঙের থিম বেছে নিন

এলোমেলোভাবে সব রঙের জিনিস না লাগিয়ে একটি নির্দিষ্ট ‘কালার প্যালেট’ অনুসরণ করুন। যেমন:

  • ক্লাসিক: লাল এবং সবুজ।
  • রয়্যাল: সোনালি এবং সাদা।
  • উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ড: রুপালি এবং নীল। রঙের সামঞ্জস্য থাকলে গাছটি দেখতে অনেক বেশি গোছানো লাগে।

৩. বড় থেকে ছোট সাজ—ভারসাম্য বজায় রাখা

গাছ সাজানোর সময় বড় আকারের বল বা অর্নামেন্টসগুলো নিচের দিকে এবং ভেতরের দিকে রাখুন। ছোট এবং হালকা জিনিসগুলো উপরের সরু ডালগুলোতে ঝোলান। এতে গাছের ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং দেখতেও সুন্দর লাগে। অর্নামেন্টসগুলো ঝোলানোর সময় ডালের একদম ডগায় না ঝুলিয়ে একটু ভেতরে ঝোলালে গাছটি ঘন দেখাবে।

৪. ফিতে এবং গয়নার ব্যবহার

গাছের চারপাশে নেট বা সাটিন কাপড়ের চওড়া ফিতে (Ribbon) জড়িয়ে দিতে পারেন। এছাড়া ছোট ছোট ঘণ্টা, স্নো-ফ্লেক্স (Snowflakes), এবং পাইন কোন (Pine Cone) ব্যবহার করলে একটি প্রাকৃতিক আমেজ তৈরি হয়। ডালপালার ফাঁকফোকর ঢাকতে তুলো দিয়ে কৃত্রিম বরফ তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে।

৫. ট্রি টপার এবং ট্রি স্কার্ট

গাছের একদম উপরে একটি বড় উজ্জ্বল তারা (Star) বা দেবদূত (Angel) বসান—একে বলা হয় ‘ট্রি টপার’। আর গাছের নিচে স্ট্যান্ডটি ঢাকা দেওয়ার জন্য সুন্দর একটি লাল বা সাদা কাপড় ব্যবহার করুন, যাকে ‘ট্রি স্কার্ট’ বলা হয়। এই স্কার্টের উপরেই উপহারের বাক্সগুলো সাজিয়ে রাখলে সম্পূর্ণ সাজটি পূর্ণতা পায়।

শেষ কথা

ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, আপনার সৃজনশীলতাই এখানে আসল। তবে একটু পরিকল্পনা করে আলো আর রঙের ভারসাম্য রাখলে আপনার বাড়ির ক্রিসমাস ট্রি হয়ে উঠবে সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে গাছের আশেপাশে খুব বেশি হিজিবিজি না করাই ভালো।

  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More