বিশ্ব পরিবেশ দিবসে রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’র শতবর্ষ স্মরণ, ভিন্নধর্মী বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ পন্ডিত প্রদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়ের
রক্ত করবীর চারাগাছ রোপণ এক বিশেষ স্মরণ। এই মাটি যেমন আত্মবলিদানের মাটি, আবার সঙ্গীত - সংস্কৃতির মাটি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাণের আরাম, আত্মার শান্তির মাটি শান্তিনিকেতনে এরকম উদ্যোগ বিশেষত কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাস ভবনের প্রাঙ্গণে হলো।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন বিশিষ্ট যন্ত্রসংগীত শিল্পী-সুরকার গ্র্যামি জুরি পন্ডিত প্রদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথের রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী এর শতবর্ষ উপলক্ষে একটা "রক্তকরবী" এর চারা রোপণ করা হলো কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শান্তিনিকেতনের বাড়ির প্রাঙ্গণে। সহযোগিতায় মোহর বীথিকা প্রাঙ্গণ। প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ও ঋতপা ভট্টাচার্য পরিবেশন করেন রবীন্দ্র গান "মরুবিজয়ের কেতন উড়াও"।

রক্ত করবীর চারাগাছ রোপণ এক বিশেষ স্মরণ। এই মাটি যেমন আত্মবলিদানের মাটি, আবার সঙ্গীত - সংস্কৃতির মাটি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাণের আরাম, আত্মার শান্তির মাটি শান্তিনিকেতনে এরকম উদ্যোগ বিশেষত কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাস ভবনের প্রাঙ্গণে হলো। এই উদ্যোগে খুশি শিল্পীর পরিবারের পক্ষে সকলে।। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পন্ডিত প্রদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়, প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়, ঋতপা ভট্টাচার্য প্রমুখ।
পন্ডিত প্রদ্যুৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, "৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস এর পাশাপাশি আমার জন্মদিনও। যে পৃথিবীর মাটিতে বড় হয়েছি, বাতাস থেকে অক্সিজেন নিচ্ছি তা যদি সুস্থ না থাকে আমরা নিজেদের প্রজন্ম, আগামী প্রজন্মের কাছে কি রেখে যাবো। এর আগে অব্যবহার যোগ্য বাদ্যযন্ত্রে বৃক্ষরোপণ করেছিলাম। যা দেখতেও ভালো হয়েছিল, কাজেও লেগেছিল। এবার এই পূণ্যভূমি-তে এসে বৃক্ষরোপণ করলাম যা আমার কাছে সম্মানের, গর্বের, শ্রদ্ধার।" মোহর বীথিকা প্রাঙ্গণ এর পক্ষে প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ও ঋতপা ভট্টাচার্য বলেন, "রক্তকরবী একটা মাইলস্টোন। তার শতবর্ষে এরকম একটা উদ্যোগের তাৎপর্য অনেক গভীর।"সমগ্র অনুষ্ঠান ভাবনায় সুদীপ্ত চন্দ।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


