Fruit That Prevents Heart Disease: একমাস এই ফলটি নিয়মিত খেলে হৃদরোগ নিয়ে উদ্বেগ কমে যেতে পারে! কী বলছে গবেষণা?
গবেষণা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ক্র্যানবেরি যদি সতেজ নাও পাওয়া যায়, তা শুকিয়ে তার পাউডার সেবনেও হৃদরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি আসে। গবেষণা বলছে, এতে, রক্তবাহিকার উন্নতি হয়। ফলে ভাল থাকে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য। একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যাক, হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারী কোন কোন ধরনের ফল?
'ফুড অ্যান্ড ফানকশন' শীর্ষক এক গবেষণাপত্রে সদ্য এক নতুন গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৪৫ জন ব্যক্তি, যাঁরা নিয়মিত ক্র্যানবেরি পাউডার সেবন করেছেন, যে পাউডার ১০০ গ্রাম তাজা ক্র্যানবেরির সমতূল্য, তাঁরা কার্ডিওভ্যাসকুলার স্বাস্থ্যে উন্নতি দেখা গিয়েছে। উল্লেখ্য, প্রায় প্রতিদিন ১০০ গ্রাম তাজা ক্র্যানবেরির সমতূল্য ওই পাউডার তাঁরা সেবন করেছেন, বলে দাবি গবেষণার। ক্র্যানবেরি সেবনের ফলে ফ্লো মেডিয়েটেড ডায়ালেশন দেখা যায়, যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে ভাল রাখে বলে দাবি গবেষণার।

লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক অ্যানা রডরিগেজ মটেও বলছেন, 'রক্তপ্রবাহে পলিফেনল এবং বিপাকীয় পদার্থের বৃদ্ধি এবং ক্র্যানবেরি খাওয়ার পর প্রবাহ-মধ্যস্থ প্রসারণ সম্পর্কিত দিকগুলি কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধে, ক্র্যানবেরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেয়।' তিনি বলছেন, এর থেকেই প্রমাণিত হয় যে, হদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ক্র্যানবেরির গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষজ্ঞদের দাবি, একমাস এই ক্র্যানবেরি খেলেই বোঝা যাবে, একজন হৃদরোগের জটিলতায় থাকা ব্যক্তি কতটা সুস্থ হয়েছেন। গবেষণা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ক্র্যানবেরি যদি সতেজ নাও পাওয়া যায়, তা শুকিয়ে তার পাউডার সেবনেও হৃদরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি আসে। গবেষণা বলছে, এতে, রক্তবাহিকার উন্নতি হয়। ফলে ভাল থাকে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য। একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যাক, হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারী কোন কোন ধরনের ফল?
বেরি
যেকোনও ধরনের বেরি, যেমন ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এই সমস্ত ধরনের ফল হৃদরোগ থেকে মুক্তির জন্য খুবই ভাল। চার সপ্তাহ এই ফল খেলেই দেখা যেতে পারে তার প্রভাব, বলছেন বহু বিশেষজ্ঞ।
অ্যাভোকাডো
খেতে খুব একটা ভাল না লাগলেও, অ্যাভোকাডোর উপকারিতা অপরিসীম। এই ফল হৃদরোগ সারিয়ে তুলতে খুবই উপকারি। পটাশিয়াম সহ একাধিক নিউট্রিয়েন্ট সম্পন্ন এই ফল খুবই উপকারী।
আমন্ড, ওয়ালনাট
আমন্ড ও ওয়ালনাট হৃদযন্ত্রের সমস্যা মোটাতে খুবই উপকারী। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কোলেস্টেরল লেভেলের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে এই আমন্ড খুবই উপকারী।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


