কয়েক মিনিটেই কমবে ডায়াবিটিসের সমস্যা, এই পানীয়ের এমনই গুণ
ডায়াবিটিসের সমস্যা কমাতে খাদ্যাভ্যাসে বদল আনা দরকার। কিন্তু একটি পানীয় রয়েছে, যা এক মিনিটেই অনেক কমিয়ে দিতে পারে ব্লাড সুগারের মাত্রা।
ডায়াবিটিসের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষ করে ভারতের মতো দেশে ক্রমশ বাড়ছে এই সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্য়া। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন না হলে এই সমস্যা বাড়তে থাকে। ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে শরীরের নানা অঙ্গের উপর তার প্রভাব পড়তে পারে।

হঠাৎ করে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে কী করবেন? সহজে কমানোর কোনও উপায় আছে কি? হালের একটি গবেষণা বলেছে, উপায় আছে। একটি পানীয় খেলে এক মিনিটেই কমে যেতে পারে রক্তে শর্করার মাত্রা।
সম্প্রতি Saudi Journal of Biological Sciences-এ প্রকাশিত হয়েছে একটি গবেষণাপত্র। সেখানে বলা হয়েছে, এই পানীয়টি হল Mulberry Leaf Tea। বাংলায় যাকে বলা যেতে পারে তুঁত গাছের পাতার চা।
দেখা গিয়েছে, এই গাছটির পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ডায়াবিটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। শুধু তাই নয়, হঠাৎ করে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে, এই পানীয়টি সেই বাড়তি গ্লুকোজের মাত্রা অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে।
এই পরীক্ষাটির জন্য ২০ জন ডায়াবিটিসের রোগীকে সাধারণ চা খেতে দেওয়া হয়। আর ২৮ জন ডায়াবিটিস রোগীকে মালবেরি চা খেতে দেওয়া হয়। দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত মালবেরি চা বা তুঁত গাছের পাতার চা খেয়েছেন, তাঁদের ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেক কমে গিয়েছে।
সেখান থেকেই বিজ্ঞানীদের মত, যাঁরা ডায়াবিটিসের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত এই চা খান। তাতে সমস্যা অনেক কমবে। দিনের যে কোনও সময়েই খেতে পারেন এই চা। তবে সকালের দিকে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায় বলেও মত অনেকের।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


