মা কালীর নামেও কন্যা সন্তানের নাম রাখা যায়, রইল কয়েকটি উদাহরণ
কালীর নামে আপনার মেয়ের নামকরণ করা হলে সেই নামে একদিকে যেমন থাকবে ঐশ্বরিক শক্তির আভা, তেমনি থাকবে এক গভীর আধ্যাত্মিক সংযোগ।
সনাতন ধর্মে দেবী কালী হলেন মহাশক্তির প্রতীক। তিনি শুধু সংহারকারিণী নন, বরং তিনি সৌন্দর্য, জ্ঞান এবং মোক্ষের দেবীও বটে। মা কালীর নামে আপনার মেয়ের নামকরণ করা হলে সেই নামে একদিকে যেমন থাকবে ঐশ্বরিক শক্তির আভা, তেমনি থাকবে এক গভীর আধ্যাত্মিক সংযোগ।

মা কালীর বিভিন্ন রূপ এবং তাঁর নামের প্রতিশব্দ থেকে বেছে নেওয়া এমন কিছু নাম নিচে দেওয়া হলো, যা আপনার মেয়ের জন্য হতে পারে একেবারেই অন্যরকম এবং অর্থপূর্ণ:
শক্তির প্রতীক নাম
দেবী কালীর যে নামগুলো তাঁর শক্তি এবং ক্ষমতার পরিচায়ক, সেগুলি আপনার মেয়ের জন্য উপযুক্ত হতে পারে।
- ভবানী: জগতের সৃষ্টিকর্ত্রী (দেবী দুর্গা বা কালীর প্রতিশব্দ)
- চণ্ডিকা: প্রচণ্ড শক্তি ও ক্রোধের দেবী (যিনি দুষ্টের দমন করেন)
- মুক্তিদা: যিনি মুক্তি বা মোক্ষ দান করেন
সৌন্দর্য ও জ্ঞানের প্রতীক নাম
কালী শব্দটি 'কাল' বা সময় থেকে এলেও, তাঁর রূপের মধ্যে এক অন্যরকম সৌন্দর্য ও জ্ঞান লুকিয়ে আছে।
- শ্যামা: অন্ধকার বা কালো বর্ণের (এই নামটি স্নিগ্ধতা বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়)
- কৃষ্ণা: কালো বা গভীর নীল বর্ণের দেবী (শ্রীকৃষ্ণের নামের সঙ্গেও সম্পর্কিত)
- তারা: যিনি উদ্ধার করেন বা পথ দেখান (মহাবিদ্যাদের অন্যতম)
- দাক্ষায়ণী: দক্ষের কন্যা (দেবী সতীর নাম, যিনি কালীরই এক রূপ)
আধুনিক ও অপ্রচলিত নাম
- যাঁরা একটু আধুনিক কিন্তু আধ্যাত্মিক ছোঁয়া আছে এমন নাম খুঁজছেন, তাদের জন্য:
- কৌষিকী: যিনি কোষ থেকে আবির্ভূতা হন
- ধৃতি: সাহস, সংকল্প বা স্থিরতা (দেবীর একটি গুণ)
- বিদ্যা: জ্ঞান (দেবী কালীর এক রূপ)
এই নামগুলো নির্বাচন করে আপনি আপনার মেয়ের জন্য কেবল একটি সুন্দর নামই নয়, বরং তাকে মা কালীর অসীম শক্তি ও আশীর্বাদও দিতে পারেন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


