ডবল চিন আপনার লজ্জার কারণ? নিখুঁত চোয়ালের জন্য প্রতিদিন ১০ মিনিট ব্যায়াম করুন
রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় বসেও করতে পারেন এই এক্সারসাইজ।
বেশিরভাগ মহিলাই চাই নিখুঁত চোয়াল। খুব কম লোকই আছে যাঁরা নিঁখুত চোয়ালের অধিকারিণী। মেকআপের সাহায্যে অনেকেই মুখ সরু-মোটা করে নিতে পারেন। তবে, রোজকার জন্য পারফেক্ট লুক পেতে করতে পারেন মুখের কিছু এক্সারসাইজ। এতে আপনার চোয়াল হবে দেখার মতো। দিনে খানিক সময় বের করেই এই ব্যায়াম করতে পারেন আপনি। এমনকী, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় বসেও করতে পারেন এই এক্সারসাইজ।

১) ফিশ ফেস
সেলফির জন্য পাউট করা প্রবণতা তো সকলেরই আছে। পাউট করে যদি আপনি ছবি তুলতে পছন্দ করেন তাহলে এটিকে যোগ করে নিন আপনার ডেইলি রুটিনে। ব্যায়ামের জন্য পাউটিং মুখের মেদ কমায় এবং একই সাথে এটি মুখকে পাতলা দেখাতে সাহায্য করে। আপনি যদি এই ব্যায়ামটি প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট জন্য করেন, তাহলে আপনি পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
২) চুইংগাম
ডাবল চিন থেকে মুক্তি পেতে চুইংগাম আপনাকে অনেক সাহায্য করতে পারে। এমনকী এই কাজ করতে পারে মৌরীও। চুইংগাম বা মৌরী চিবানোর সময় ঘন ঘন চোয়ালের নড়াচড়া আপনার মুখের পেশীগুলিকে আলগা করে এবং একইভাবে ডবল চিন কমাতে সাহায্য করে। এটি আপনার গালের পেশীগুলিকেও শক্ত করে এবং একই সাথে চোয়ালকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।
৩) মুখে হাওয়া ভরে
মুখে হাওয়া ভরে নিন। এবার তা ডান গালে রাখুন। তারপর বাঁ গালে। তারপর উপরে-নীচে। এভাবে ২০-৩০ সেকেন্ডের সেটে ৫বার করুন। দেখবেন গাল আপনার অনেকটাই কমেছে।
৪) চিবুক উত্তোলন
মুখ হা করে চিবানোর মতো মুখ করে মাথা উপরের দিকে তুলুন। এবার মাথা উঁচিয়ে মুখ হাঁ করে এমন ভাব করুন যেন কিছু চিবোচ্ছেন। এভাবে ১০-১৫ বার করে করুন ৪-৫ বার। বিশ্রাম নিয়ে আরও ৫ সেট করুন।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


