Hypertension: মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে 'নীরব ঘাতক' হাইপারটেনশন, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞ
হাইপারটেনশন বরাবরই পুরুষদের রোগ বলে পরিচিত হলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের মধ্যে এর প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
মহিলাদের মধ্যে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়লেও, এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা এখনও অত্যন্ত কম। ফলে বহু ক্ষেত্রেই রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিলম্ব ঘটছে বলে জানিয়েছেন ‘মণিপাল হসপিটালস’, ব্রডওয়ে ও সল্টলেকের ইন্টারন্যাশনাল কার্ডিওলজি কনসালট্যান্ট ডাঃ রাজা নাগ।

তাঁর মতে, হাইপারটেনশন বরাবরই পুরুষদের রোগ বলে পরিচিত হলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের মধ্যে এর প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অথচ মাথাব্যথা, ক্লান্তি, বুক ধড়ফড় বা শ্বাসকষ্টের মতো প্রাথমিক উপসর্গগুলিকে মহিলারা প্রায়শই মানসিক চাপ বা হরমোনজনিত পরিবর্তন বলে এড়িয়ে যান। এই কারণেই হাইপারটেনশনকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়।
ডাঃ নাগ জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থা, মেনোপজ ও বয়স বৃদ্ধির মতো শারীরবৃত্তীয় পর্যায়গুলি মহিলাদের ঝুঁকি বাড়ায়। গর্ভাবস্থায় জেস্টেশনাল হাইপারটেনশন বা প্রি-এক্লাম্পসিয়া দেখা দিলে ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমলে রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতাও হ্রাস পায়। ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল ও হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিও কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ায়।
আধুনিক জীবনযাত্রাও বড় কারণ। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এবং শরীরচর্চার অভাবে পরিস্থিতি জটিলতর হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে সমস্ত মহিলার নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত। মেদ বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস বা পারিবারিক ইতিহাস থাকলে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ রোগ প্রতিরোধে কার্যকর।
ডাঃ নাগের আহ্বান, ‘হৃদ্রোগ শুধু পুরুষদের সমস্যা.. এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। মহিলারা নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি সমান গুরুত্ব দিন। সময়মতো সচেতনতাই বাঁচাতে পারে অসংখ্য জীবন।’
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


