Sugar Addiction: চিনি কি শরীরের কোনও কাজে লাগে? নাকি চিনি খাওয়া এক ধরনের নেশা? কী মত বিশেষজ্ঞদের

বেশির ভাগ রান্নায় অল্প হলেও চিনি দেওয়া হয়। এটি কি শরীরকে অতিরিক্ত শক্তি জোগায়?

Published on: Apr 9, 2026, 07:57:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সব খাবারেই অল্পস্বল্প চিনি থাকে। কোনও চিনি প্রাকৃতিক। কোনওটা রান্নার সময়ে মেশানো হয়। যেমন বেশির ভাগ ফলেই প্রাকৃতিক মিষ্টত্ব থাকে। কিন্তু সন্দেশ বা ঠান্ডা পানীয় বানানোর সময়ে তাতে চিনি মেশানো হয়।

চিনি কি শরীরের কোনও কাজে লাগে? নাকি চিনি খাওয়া এক ধরনের নেশা? কী মত বিশেষজ্ঞদের
চিনি কি শরীরের কোনও কাজে লাগে? নাকি চিনি খাওয়া এক ধরনের নেশা? কী মত বিশেষজ্ঞদের

চিকিৎসকরা বলছেন, এ থেকেই আমরা চিনিকে দু’টি ভাগে ভাগ করে নিতে পারে। প্রাকৃতিক উপায়ে প্রাপ্ত চিনি। আর খাবারে আলাদা করে যোগ করা চিনি। চিকিৎসকদের মতে, আসল সমস্যা এই আলাদা করে যোগ করা চিনি নিয়েই।

হালে অনেক জায়গায় কথা উঠেছে, চিনি রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমিয়ে দেয়। কতটা ঠিক এই দাবি?

স্বাস্থ্যবিদরা জানিয়েছেন, চিনি পেটে গিয়ে নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি করে। এবং এতে রোগজীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা শরীরের কমে যায়। এই বিষয়টি নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। শুধু তাই নয়, এই অতিরিক্ত চিনি অন্য খাবার হজম করার ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করে। তাঁর মতে, ‘প্রাকৃতিক উপায়ে খাবারের মধ্যে যে মিষ্টত্ব থাকে, সেটি মোটেই ক্ষতিকর নয়। সেটি শরীরকে অতিরিক্ত শক্তি জোগায়।’

কেন চিনি খাওয়া কমানো উচিত:

ফিটনেস কোচেরা একটি তালিকা দিচ্ছেন, তিনি কেন কম খাওয়া উচিত সে প্রসঙ্গে।

  • চিনি নেশার মতো। অল্প খেতে শুরু করলেই নিয়ন্ত্রণ থাকে না আর।
  • চিনি বেশি খেলে ওজন বাড়ে মারাত্মক হারে। ক্যালোরির মাত্রা বাড়তে থাকে শরীরে।
  • সাধারণ চিনি কার্বোহাইড্রেট ছাড়া আর কিছু নয়। এটি শরীরে গিয়ে কোনও শক্তি জোগায় না। উল্টে যে খাবারগুলি শক্তি জোগায়, সেগুলির হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।
  • চিনি বেশি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। ডায়াবিিটিসের সমস্যা দেখা দেয় এর ফলে।
  • খাবার হজম করার কাজটি করে লেপটিন নামের হরমোন। শরীরে অতিরিক্ত চিনি গেলে এই হরমোনের কাজের ক্ষমতা কমে যায়। শরীরে ইনসুলিনের মাত্রাও কমে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে থাকে।
  • Suman Roy
    ABOUT THE AUTHOR
    Suman Roy

    সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More