Health Benefits of Jujube: কুল খেলে কী হয়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
শীত শেষ হতে চললেই বাজারে আসবে কুল। অনেকেই এই কুল খেতে ভালোবাসেন। কী হয় এই ফলটি খেলে?
আর মাস খানেক। শীত শেষ হতে না হতেই বাজারে আসবে কুল। অনেকেই এই কুল খেতে ভালোবাসেন। সরস্বতী পুজো তো কুল ছাড়া হয়ই না। কিন্তু এই কুল কি শুধুই সুস্বাদু একটি ফল? নাকি এর আরও অনেক গুণও আছে?

হালে Celebrity nutritionist রুজুতা দিবাকর সোশ্যাল মিডিয়ায় কুলের গুণের কথা জানিয়েছেন। কোন কোন গুণের কথা বলেছেন তিনি?
- কুলের বেশ কিছু উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কাজে লাগে। শীতে অনেকের শরীর শুকিয়ে এই সমস্যা দেখা দেয়। কুল এই সমস্যা সহজে কমাতে পারে।
- মরশুম বদলের সময়ে বিভিন্ন জীবাণুর ক্ষমতা বেড়ে যায়। তাদের থেকে বাঁচতে রোগ প্রতিরোধ শক্তি জোরদার হওয়া দরকার। কুল সেই কাজটাই করে দেয়।
- যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্যও খুল খুব ভালো। কারণ এর নানা পুষ্টিগুণ যেমন শরীরের উপকার করে, তেমনই এর প্রচণ্ড কম ক্যালোরি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
- রাতে ভালো করে ঘুম হচ্ছে না? তাহলে দুপুরে কয়েকটি কুল খেয়ে দেখতে পারেন। ঘুম ভালো হবে।
- মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুর পুষ্টির জন্যও কুল অত্যন্ত কাজের। তাই অল্পবয়সিদের কুল খাওয়ালে মস্তিষ্কের পুষ্টি হয় ভালো মাত্রায়।
- যে সব শিশুরা অপুষ্টির সমস্যায় ভুগছে, তাদের জন্য কুল অত্যন্ত ভালো। খুব কম কুলই তাদের সারা দিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জুগিয়ে দিতে পারে। তাদের বিভিন্ন রোগবালাই থেকেও কুল রক্ষা করতে পারে।
- অনেকেরই মাঝে সাঝে মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা করে। আর এই সময়ে কুল অত্যন্ত কাজের। কারণ অধিকাংশ মিষ্টি খাবারেই প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। কুল খেলে মিষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। অথচ ওজনও বাড়ে না।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


