How to Prevent Hearing Loss: কমছে শোনার ক্ষমতা? তাড়াতাড়ি এই খাবারগুলি খেতে শুরু করুন, সমস্যা কমবে
How to Prevent Hearing Loss: বয়স বাড়লে শোনার ক্ষমতা অনেকেরই কমে যায়। কিন্তু এই সমস্যা আটকানো সম্ভব। কয়েকটি খাবার নিয়মিত খেলে ভালো থাকে কানের স্বাস্থ্য। দেখে নিন, সেগুলি কী কী।
How to Prevent Hearing Loss: সবুজ শাকসবজি আর তাজা ফল নিয়মিত খেলে শোনার ক্ষমতা অনেকটাই বজায় থাকে। ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে ফেলা যায় এই সমস্যা। হালে হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুষ্টবিদি গরিমা গোয়েল জানিয়েছেন, ম্যাগনেসিয়াম পূর্ণ খাবার খেলে শোনার ক্ষমতা অনেকটাই ধরে রাখা যায়।

মাছ: নিয়মিত মাছ খেলে শোনার ক্ষমতা বজায় থাকে অনেকাংশে। এর ওমেগা ৩ স্নায়ুর উপকার করে। আর ভিটামিন ডি কানের হাড়ের গঠন মজবুত করে। ফলে শ্রবণশক্তিতে ঘাটতি হয় না। শোনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার আরও একটি কারণ, কানের মধ্যে উপবৃদ্ধি। সেই সমস্যাও আটকায় মাছের কয়েকটি উপাদান।
সবুজ শাকসবজি: নিয়মিত শাকসবজি খেলে শোনার ক্ষমতা বাড়তেও পারে। এর ভিটামিন সি, ফোলিক অ্যাসিড এবং পটাসিয়াম শ্রবণ ক্ষমতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। বয়সের কারণে যাঁধের শোনার ক্ষমতা কমতে থাকে, তাঁরা শাকসবজি খেলে উপকার পেতে পারেন।
ডাল, বিনস, কড়াইশুটি: কানের জন্য এগুলো খুবই দরকারি। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে জিংক এবং অন্যান্য খনিজ থাকে। এই উপাদানগুলি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। তাতে কানের ভিতরে নানা ধরনের সংক্রমণের হার কমে। ফলে এগুলি নিয়মিত খেলে কানের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এগুলি ছাড়াও মুরগির মাংস, কাজু ও আমন্ডও নিয়মিত খেতে পারেন। সেগুলিতেও প্রচুর জিংক রয়েছে।
ডার্ক চকোলেট: যাঁদের বংশে কানের সমস্যা আছে, তাঁরা অল্প বয়স থেকেই প্রতি দিন সামান্য মাত্রায় ডার্ক চকোলেট খেতে পারেন। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ শ্রবণশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। কানের স্বাস্থ্যের জন্য এটি খুবই দরকারি।
ফল: শোনার ক্ষমতা ধরে রাখতে বা তা কমে গেলে বাড়ানোর জন্য সবচেয়ে ভালো জিনিস ফল। ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ফল নিয়মিত খেলে কানের স্বাস্থ্যের হাল ভালো হয়। তাছাড়া এর বেশ কিছু উপাদান শ্রবণশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


