Pomfret Fish: পমফ্রেট মাছ মাঝে সাঝেই রাঁধছেন বাড়িতে? কী আছে এতে? শরীরে সেগুলি কেমন প্রভাব ফেলছে
Pomfret Fish: পমফ্রেট খুবই জনপ্রিয় মাছ। এই মাছ খেলে কী কী হয়? পরের বার খাওয়ার আগে জেনে নিন ভালো করে।
পমফ্রেট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাছ। শীতে তো বটেই সারা বছরই অনেকে পমফ্রেট খান। সমুদ্রের মাছটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং অনেক ভাবে রান্না করা যায়। তাই এর চাহিদাও থাকে তুঙ্গে। কিন্তু জানেন কি এই মাছে কী কী উপাদান আছে?

পমফ্রেট মাছে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলি শরীরে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে এই মাছ নিয়মিত খেলে তার ছাপ পড়ে স্বাস্থ্যে। প্রথমে তাই দেখে নেওয়া যাক, এতে কী কী রয়েছে। তার পরে আলোচনা করা যাবে, সেগুলির প্রভাব।
১০০ গ্রামের একটি পমফ্রেট মাছে শক্তি থাকে ৯২ কিলোক্যালোরি। এতে কার্বোহাইড্রেট থাকে না। যেটুকু থাকে, তা বিশেষ প্রভাব ফেলে না শরীরে। ফ্যাট থাকে ২ গ্রাম মতো। স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ১ গ্রাম মতো। প্রোটিন ১৮ গ্রাম। সোডিয়াম ৬৫ মিলিগ্রাম। পমফ্রেট মাছে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইপিএ (ইকোসাপেন্টাইনয়িক অ্যাসিড) এবং ডিএইচএ (ডোকোসাহেক্সায়েনোইক অ্যাসিড)। এবার দেখে নেওয়া যাক, এগুলি শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে।
পমফ্রেট মাছের এই উপাদানগুলি মস্তিষ্কের কোষের গঠন এবং কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও অবদান রাখে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আলজাইমার এবং ডিমেনশিয়ার মতো নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ঝুঁকি কমায়। ফ্যাটি অ্যাসিড অবসাদ এবং উদ্বেগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
পমফ্রেট মাছের বেশ কিছু উপাদান চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ডি-সহ নানা উপাদান চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং অন্যান্য দৃষ্টিজনিত সমস্যা থেকে চোখকে রক্ষা করে। এই উপাদানগুলি রেটিনার সুস্বাস্থ্যও ধরে রাখতে পারে। দৃষ্টি তীক্ষ্ণ করে। চোখের রোগের ঝুঁকি কমায়।
পমফ্রেটে উচ্চ মানের প্রোটিন থাকে। এই প্রোটিন টিস্যু তৈরি এবং মেরামত করার জন্য, পেশির বৃদ্ধি এবং একটি স্বাস্থ্যকর ইমিউন সিস্টেম বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্য, বৃদ্ধি এবং মেরামত প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওযা যেতে পারে এই মাছ থেকে।
পমফ্রেট মাছে ফ্যাট এবং ক্যালোরির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম। তাই এটি ওজন বাড়ায় না। এটি খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভরিয়ে রাখতে পারে। তাতে বেশি করে খাবার খাওয়ার চাহিদা থাকে না। এতেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
পমফ্রেট মাছে পাওয়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ হতে দেয় না। এটি শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। যা বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন হৃদরোগ আর্থ্রাইটিস এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের কারণ হতে পারে। অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ডায়েটের অংশ হিসাবে পমফ্রেট মাছ খাওয়া ভালো।
E-Paper











